যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহত ৯
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টিতে আবাসিক এলাকায় একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত…
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানের যোগ দেওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে আগ্রহ দেখায়নি তেহরান। অন্যদিকে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিন দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব সম্মত হলে ইরানও এই চুক্তির অংশ হতে পারে।
সম্প্রতি বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত। চুক্তিতে ইরানের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যেসব দেশের সম্মিলিত প্রতিরোধ ও আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একই মনোভাব রয়েছে, তাদের স্বাগত জানানো হবে।
তবে ইরানের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করবে বলে জানান তিনি।
সম্প্রতি চুক্তির তিন দেশের প্রতিনিধিরা ইরান সফর করেন। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন তেহরানে গিয়ে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই সফর ও বৈঠকের পরই মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়।
তবে তেহরান এখন পর্যন্ত এ চুক্তিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আগ্রহ প্রকাশ করেনি। বরং চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই ইরানের একজন আইনপ্রণেতা মন্তব্য করেছিলেন, পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে কাগুজে চুক্তি করে সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।
এদিকে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে আরও পাকিস্তানি সেনা পাঠানো হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি পরিস্থিতি এবং দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
তিনি বলেন, সৌদি আরবের পাশাপাশি পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীর নিরাপত্তা রক্ষায় পাকিস্তান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে পাকিস্তান জড়িত নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগের মধ্যে ইরানের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা আসেনি।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au