সুদের হার বৃদ্ধি, অস্ট্রেলিয়ায় কমছে বাড়ির দাম
মেলবোর্ন,১ জুলাই- ঋণের সুদের হার বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং বিনিয়োগে কঠোর করনীতির প্রভাবে অস্ট্রেলিয়ার আবাসন বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। গত জুন মাসে…
মেলবোর্ন, ২৪ সেপ্টেম্বর- অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে মঙ্গলবার উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। বিশ্বের বেশ কিছু প্রভাবশালী দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণার পর হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে পতাকা নাড়িয়ে ও স্লোগান দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।
রামাল্লাহ শহরের কেন্দ্রীয় চত্বরে এক শরও বেশি মানুষ জড়ো হয়ে ফিলিস্তিনি ও ইউরোপীয় পতাকা হাতে দাঁড়ান। লাউডস্পিকারে ভেসে আসছিল দেশপ্রেমমূলক স্লোগান। অনেকে হাতে ধরে ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের পোস্টার ও ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ লেখা সাইনবোর্ড।
এ উদযাপনে অংশ নেন ফাতাহ আন্দোলন ও পশ্চিম তীরে সীমিত নিয়ন্ত্রণকারী ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তারা। করমর্দন ও হাসিমুখে তাঁরা জনগণের সঙ্গে মিশে যান।
ফাতাহর কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব জিবরিল রজুব বলেন, “এই স্বীকৃতি একটি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ, যা আমরা আশা করি অব্যাহত থাকবে। এটি আমাদের জনগণের শত বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিরোধ ও দৃঢ় সংকল্পের ফল।”
রজুব আরও জানান, আগের রাতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণগুলো শুনে তিনি আবেগাপ্লুত হয়েছেন। তাঁর মতে, “আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।”
৩৯ বছর বয়সী ফাতাহ সদস্য মাইসুন মাহমুদ বলেন, “আমরা আজ এখানে এসেছি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানাতে। তবে একই সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে আমাদের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। বিশ্বের এখন দায়িত্ব নেওয়ার সময় এসেছে।”
রামাল্লাহ ছাড়াও উত্তরের তুলকারেমে আরো কয়েক ডজন মানুষ জড়ো হন। তাঁদের হাতে ছিল ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর পতাকা। এভাবেই পশ্চিম তীরজুড়ে ছোট ছোট সমাবেশে স্বীকৃতির আনন্দ ভাগ করে নেয় মানুষ।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ স্বীকৃতি ফিলিস্তিনিদের কূটনৈতিক সাফল্য। তবে এর বাস্তব প্রভাব নির্ভর করবে ইসরায়েল ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় তার ওপর।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au