অবরোধের মুখে বিশেষ নিরাপত্তায় সাজেক ছাড়লেন ২৯৩৩ পর্যটক
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে ফের সড়ক অবরোধের কারণে আটকে পড়া ২ হাজার ৯৩৩ জন পর্যটককে বিশেষ নিরাপত্তায় খাগড়াছড়ির উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২…
মেলবোর্ন, ৪ অক্টোবর- ‘গাজার মানুষ বর্তমানে এক ভয়াবহ খাদ্যসংকটের মুখে পড়েছেন। দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ, যুদ্ধ ও সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানে এখন খাবারের সংকট চরমে পৌঁছেছে। পুষ্টিকর খাদ্যের অভাবে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে ‘নকল খাবার’ বা বিকল্প হিসেবে তৈরি করা নিম্নমানের খাবার খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
জাতিসংঘ ও স্থানীয় সাহায্য সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, গাজায় চাল, ডাল ও মাংসের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য এখন প্রায় অপ্রাপ্য। এর পরিবর্তে মানুষ ময়দা, ভুট্টার গুঁড়া বা খোসা মিশিয়ে চালের মতো রান্না করছেন। মাংসের বদলে শাকপাতা, শুকনো ভেষজ কিংবা ভাজা গুঁড়া ব্যবহার করে রান্না করতে হচ্ছে।
সবচেয়ে বিপদে পড়েছে শিশুরা। দুধ, ফল কিংবা প্রয়োজনীয় ভিটামিন না পেয়ে তারা অপুষ্টিতে ভুগছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো জানিয়েছে, গাজার অনেক শিশু এখন কেবল শুকনো রুটি ও লবণ-পানি খেয়ে বেঁচে আছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাঁরা খাবার নয়, কেবলমাত্র পেট ভরানোর মতো কিছু খুঁজছেন। “আমরা জানি এগুলো আসল খাবার নয়, কিন্তু না খেলে বেঁচে থাকাও কঠিন,”—বলেছেন এক গাজার নারী।
জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সংস্থা দ্রুত মানবিক করিডর খোলার আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে প্রকৃত খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছানো যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।
গাজার মানুষ এখন কেবল খাবারের স্বাদ নয়, জীবনের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au