অভিনেতা শামস সুমনের মৃত্যু, নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- দেশের অভিনয় অঙ্গনের পরিচিত মুখ শামস সুমন আর নেই। বিশিষ্ট এই অভিনেতা ও রেডিও ভূমি-র স্টেশন চিফের মৃত্যুতে (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)…
মেলবোর্ন,৮ অক্টোবর- গাজায় যুদ্ধ শুরুর দুই বছরে ইসরায়েলকে ২ হাজার ১৭০ কোটি ডলার (২১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার) সামরিক সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে বাইডেন ও ট্রাম্প প্রশাসনের সময়। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত এক নতুন একাডেমিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। গতকালই ছিল গাজা সংঘাতের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের ‘কস্টস অব ওয়ার প্রজেক্ট’। এই প্রকল্পে ৩৫ জন গবেষক, আইনবিশেষজ্ঞ, মানবাধিকারকর্মী ও চিকিৎসক কাজ করছেন, যাঁরা ২০১১ সাল থেকে যুদ্ধ ও সামরিক ব্যয়ের বিশ্লেষণ করে আসছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা সহায়তা ও সামরিক অভিযানে আরও প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলার মধ্যেই বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি শিশুরা এখনো শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত নয়। ইউনিসেফের সহায়তায় ‘মায়াসেম অ্যাসোসিয়েশন ফর কালচার’ তাঁবুর ভেতরে অস্থায়ী স্কুলে এসব শিশুদের পাঠদান করছে।
যদিও প্রতিবেদনের তথ্যগুলো উন্মুক্ত সূত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তবু এতে ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সামরিক সহায়তার অন্যতম বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সামরিক ব্যয়ের বিস্তারিতও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সহায়তা ছাড়া গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতেও ইসরায়েলের জন্য কয়েক শ কোটি ডলারের অর্থায়ন পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধান প্রতিবেদনের হিসাবে, যুদ্ধের প্রথম বছরে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলকে দিয়েছে ১৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, আর দ্বিতীয় বছরে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। এর কিছু অংশ ইতিমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে, বাকিটা পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।
গবেষণাটি প্রস্তুত হয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থা কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্র্যাফটের সহযোগিতায়।
সুত্রঃ এপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au