ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় আবারও কয়েকজন নিহত হয়েছেন। ফাইল ছবি
মেলবোর্ন,১০ অক্টোবর- ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে অর্জিত প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নাগালের বাইরে এখনও, কিন্তু গাজার ধ্বংসপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর কাছে এটি এক নতুন “আলোছায়া” হয়ে এসেছে।
চুক্তির শর্ত মতে, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর সীমিত প্রত্যাহার এবং মানবিক সাহায্য প্রবাহ শুরু হবে — তবে কার্যকর বাস্তবায়ন এখনও নিশ্চিত নয়।
নিচে গাজার জন্য সম্ভাব্য বড় বাধাগুলো তুলে ধরা হলো:
আন্তর্জাতিক সাহায্যকারীদের সমগ্র জায়গায় কাজ করার অনুমতি না মিললে, পুনর্নির্মাণ ও জনহিতকর সেবা সহজেই ব্যাহত হবে। গাজা পুনর্নির্মাণ করতে প্রায় $৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাজেট লাগতে পারে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
লঙ্ঘিত বিশ্বাস, সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবস্থা, এবং স্থানীয় শাসন ব্যবস্থার পুনর্গঠন — এসব বিষয় অত্যন্ত জটিল।
খাবার সঙ্কট, পানির সমস্যাসহ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছনোর পথ বন্ধ থাকলে বিপর্যয় আশঙ্কা প্রবল।
দীর্ঘ যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞ মানুষের মনোবলকে ধাক্কা দিয়েছে — বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা। আন্তর্জাতিক অঙ্গন ও স্বার্থান্বেষণ গাজার ভবিষ্যতকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে — বিশেষ করে ইসরায়েল, মিসর, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর ভূমিকা।
গাজা ধ্বংসপ্রাপ্ত, জনাকীর্ণ, আশা ও অবিশ্বাসের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে।
যুদ্ধবিরতির চুক্তি আজ অপূর্ণ — তবে ধরা দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।
কিন্তু পথটাও দীর্ঘ, কঠিন ও অনিশ্চিত — পুনর্নির্মাণ, শাসন, জনসাধারণের জীবন, আন্তর্জাতিক সমর্থন — সবই পরীক্ষার মুখে। গাজার মানুষ ঘুমিয়ে থাকবে না; তারা লড়াই করবে — আবার এক নতুন দিনের জন্য।
সুত্রঃ আল–জাজিরা