মেলবোর্ন, ১৬ অক্টোবর- চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি। শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা আগের বছরের তুলনায় কম।
মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬। পরীক্ষার ফলাফলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকের চূড়ান্ত বিষয়গুলোতে নম্বর কম হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী ফেল করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বকশি বাজারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দকার এহসানুল কবির। এ সময় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীরা ফলাফল জানতে পারবেন বলে জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দকার এহসানুল কবির।
এইচএসসিতে পাসের হার ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৩ হাজার ২১৯ জন। আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ২৬৮ জন। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৬২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৬১০ জন।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ, রাজশাহীতে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ, কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যশোরে ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, বরিশালে ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, সিলেটে ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং কারিগরিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাকালের প্রভাব, অনলাইন শিক্ষার সীমাবদ্ধতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতির ঘাটতি এবার ফলাফলের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে।