ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৭
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও…
মেলবোর্ন, ২৮ অক্টোবর- গাজীপুরের টঙ্গী টি অ্যান্ড টি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী নিজেই নিজের অপহরণের গল্প সাজিয়েছেন। তদন্তে এমন তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের লোকেশন ও যাত্রাপথের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তার দেওয়া বর্ণনা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।
রবিবার(২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৮টার দিকে পুলিশ তাকে তার বাসা থেকে আটক করে টঙ্গী থানায় নিয়ে যায়। পরিবারও আটক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশ বলছে, নিজের সাজানো অপহরণের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা ও ধর্মীয় উত্তেজনা তৈরির অভিযোগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই মামলায় তাকেই আসামি করা হতে পারে।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পেজ থেকে টঙ্গী থানা ঘেরাও করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
গাজীপুর পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, “তিনি নিজেই এই নাটক সাজিয়েছেন। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। তার দেওয়া তথ্য ও তদন্তের প্রমাণ একে অপরের সঙ্গে মেলে না।”
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, সিসিটিভি, মোবাইল ট্র্যাকিং, যাত্রাপথ ও চিকিৎসা প্রতিবেদনের সবকিছু যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এটি পরিকল্পিত নাটক।
পুলিশ বলছে, যেকোনো সময় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হতে পারে।
কীভাবে ধরা পড়ল অপহরণের ‘নাটক’?
মুহিব্বুল্লাহ দাবি করেছিলেন, ২২ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে টঙ্গীর শিলমুন এলাকায় তাকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তুলে অপহরণ করা হয়। পরদিন পঞ্চগড়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয় বলে নিজেই সাংবাদিকদের জানান। কিন্তু পুলিশের হাতে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই সময় তিনি একা দ্রুত হাঁটছেন। কোথাও কোনো অ্যাম্বুলেন্স, গাড়ি কিংবা অপহরণের চিহ্ন নেই।
এমনকি তিনি যে সময় অপহরণের কথা বলেছেন, তার ১০ মিনিট পর পর্যন্ত এলাকায় কোনো অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি মেলেনি। পুলিশের ধারণা, তিনি নিজের গাড়ি নিয়ে সিরাজগঞ্জ হয়ে পঞ্চগড়ে যান এবং সেখানে নিজেই নিজের পায়ে শিকল বেঁধে ‘অপহৃত’ অবস্থার দৃশ্য তৈরি করেন।
মুহিব্বুল্লাহ দাবি করেছিলেন, তাকে নির্যাতন করা হয়েছিল। কিন্তু পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, “তার শরীরে কোনও দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন ছিল না, শুধু ব্যথার অভিযোগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।” ফলে নির্যাতনের দাবিও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au