চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৭ নভেম্বর- বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে ভারতের সেনাবাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। অতি অল্প সময়ের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলায় বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি একটি নতুন সেনা ঘাঁটি চালু করেছে দেশটি। পাশাপাশি আসামের ধুবরিতেও নতুন একটি সেনা স্টেশন গড়ে তোলা হচ্ছে, যা সীমান্ত প্রতিরক্ষায় আরও শক্তি যোগ করবে।
বৃহস্পতিবার পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় নবনির্মিত ওই সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন করেন। ঘাঁটিটি বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের এক্স (X) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক পোস্টে জানানো হয়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিওয়ারি ব্রহ্মাস্ত্র কর্পসের মোতায়েন সৈন্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে ঘাঁটি স্থাপন ও কার্যকর করার জন্য তাঁদের পেশাদারিত্ব, অদম্য উৎসাহ ও নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
তিওয়ারি সৈন্যদের উদ্দেশে বলেন, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রেখে উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় থাকতে হবে। তিনি স্থানীয় এমএলএ হামিদুল রহমানসহ নাগরিক নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এবং সেনা-বেসামরিক সহযোগিতা জোরদার করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন।
এর আগে লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিওয়ারি আসামের সীমান্ত এলাকায় ৪ (গজরাজ) কর্পস সদর দপ্তর পরিদর্শন করেন এবং ধুবরির বামুনিগাঁও অঞ্চলে নতুন একটি সামরিক স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। নতুন এই স্টেশনের নামকরণ করা হয়েছে আহোম রাজ্যের কিংবদন্তি সেনানায়ক লাচিত বরফুকনের নামে, যিনি সাহস, নেতৃত্ব ও দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
ইস্টার্ন কমান্ড জানায়, লাচিত বরফুকন সামরিক স্টেশন প্রতিষ্ঠা অঞ্চলটির সেনা সক্ষমতা ও অবকাঠামোকে আরও মজবুত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পরিদর্শনকালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিওয়ারি সীমান্ত অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং চলমান অবকাঠামো উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন।
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল ঘেঁষা এই দুটি নতুন সামরিক স্থাপনা ভারতের কৌশলগত প্রস্তুতি এবং সীমান্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সুত্রঃ ডেকান ক্রনিকেল
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au