ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন, ১০ নভেম্বর- পাকিস্তানে বিরোধী দলগুলোর আপত্তি ও প্রতিবাদের মধ্যেই সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী বিল সিনেটে উত্থাপন হয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শনিবার আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার ২৬ পৃষ্ঠার বিলটি সিনেটে উপস্থাপন করেন। এটি পাস হলে ‘সংবিধান (২৭তম সংশোধনী) আইন, ২০২৫’ নামে পরিচিত হবে।
বিলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সংবিধান সংশ্লিষ্ট মামলার জন্য নতুন একটি আদালত “ফেডারেল কনস্টিটিউশনাল কোর্ট” গঠন, বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন, এবং সামরিক কাঠামোয় বড় রদবদল।
সংশোধনী অনুযায়ী, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির (সিজেসিএসসি) চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষ হলে পদটি বিলুপ্ত হবে। এরপর থেকে সেনাপ্রধানই প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রধানমন্ত্রী সেনাপ্রধানের সুপারিশে ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের প্রধান নিয়োগ দেবেন।
এ ছাড়া সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল উপাধি দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। বিল অনুযায়ী, সংবিধানের ২৪৮ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে প্রেসিডেন্টকে আজীবন গ্রেপ্তার বা ফৌজদারি মামলার হাত থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। গভর্নররা এ সুরক্ষা পাবেন কেবল দায়িত্ব পালনের সময়।
বিলটিতে প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার আকারও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার ১১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৩ শতাংশ করা হবে।
বিরোধী দলগুলো বিলটিকে ‘সংবিধানের ওপর সরাসরি আঘাত’ বলে দাবি করেছে। তারা বলছে, সরকার কোনো আলোচনা ছাড়াই এত বড় সংশোধনী এনেছে। বিরোধীদের একজন সিনেটর আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস বলেন, “ক্ষমতাবানদের ইচ্ছায় করা এই সংশোধনীর নাটক আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।”
বিশ্লেষকদের মতে, বিলটি পাস হলে পাকিস্তানের বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও সামরিক কাঠামোর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসবে। বিলটি এখন সিনেটের স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। পর্যালোচনা শেষে এটি পুনরায় ভোটের জন্য তোলা হবে।
সূত্র: দ্য ডন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au