আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে নবজাতকসহ ৩ লাশ উদ্ধার
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি তালাবদ্ধ ভাড়া বাসা থেকে নবজাতকসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে মধ্য জামগড়া এলাকার হাজী হযরত আলীর চারতলা বাড়ির…
মেলবোর্ন, ১৮ নভেম্বর- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিতিতে বিচার করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে প্রকাশিত এই অবস্থানে সরাসরি রায় নিয়ে মন্তব্য করা হয়নি। দিল্লি বলেছে, সীমান্ত অঞ্চলের শান্তি, গণতান্ত্রিক শাসন, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি এবং স্থিতিশীলতার প্রতি তাদের অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে।
শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। দিল্লির বিবৃতিতে তাঁর অবস্থান বা রায়ের ন্যায়সংগততা নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট মন্তব্য ছিল না। বরং ভারসাম্যপূর্ণ ভাষায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিবৃতির পরপরই ভারতের প্রধান গণমাধ্যম শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করা শুরু করে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এভাবে ‘সাবেক’ পরিচয় ব্যবহারের মধ্য দিয়ে নয়াদিল্লি ইঙ্গিত দিয়েছে যে বাংলাদেশের প্রতি তাদের নীতিনির্ধারণ এখন তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান থেকে আলাদা ধারা অনুসরণ করছে।
শেখ হাসিনা অতীতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ২০২৪ সালের বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠার পর তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। তিনি দাবি করেছেন, তিনি কখনো পদত্যাগ করেননি বা ক্ষমতা ত্যাগের কোনো কাগজে সইও দেননি।
ভারতের প্রতিক্রিয়ার পর দ্রুত সাড়া দেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আইনবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, দিল্লির অবস্থান একজন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়ার মতো এবং এটি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। তাঁর দাবি, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার বিচার এখনো বাকি আছে এবং বর্তমান সরকারের সময়ে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম আরও দ্রুত এগোবে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও দিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছে। তারা জানিয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায় কার্যকর করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো বাধ্য। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির ভিত্তিতে আগেও হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ জানানো হয়েছিল।
রায়ের পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং ঢাকা–দিল্লি আগামী দিনগুলোতে আরও জটিল আলোচনার মুখোমুখি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au