ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোলে রিয়াল কোয়ার্টার ফাইনালে, চেলসি বিদায়
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রথম লেগে ম্যানচেস্টার সিটি ৩-০ গোলে হারার পর রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ ইতিহাদে ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেছে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের…
মেলবোর্ন, ২৯ নভেম্বর- ইসরায়েল যে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক নির্যাতন চালাচ্ছে, তা কার্যত রাষ্ট্রীয় নীতিতে রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কমিটি। সংস্থাটি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে এবং তাদের অনেককেই পরিবার বা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে বন্দী রাখা হয়েছে।
কমিটি জানায়, প্রশাসনিক আটক আইন ও ‘আনলফুল কম্ব্যাট্যান্টস’ আইনের আওতায় শিশু, নারী ও প্রবীণসহ অসংখ্য ফিলিস্তিনিকে মাসের পর মাস আটকে রাখা হয়েছে। আটক অবস্থায় মারধর, কুকুর দিয়ে আক্রমণ, নিয়মিত খাবার না দেওয়া, শেকল পরিয়ে রাখা এবং টয়লেট ব্যবহার করতে না দেওয়ার মতো আচরণকে তারা যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল বলে আখ্যা দিয়েছে।
কমিটির সদস্যরা বলেন, অভিযোগগুলো এতটাই গুরুতর যে তারা হতবাক হয়েছেন। তারা ইসরায়েলকে স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসরায়েল অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, জাতিসংঘ পক্ষপাতদুষ্ট। শুনানিতে ইসরায়েলি প্রতিনিধিরা কমিটির তথ্য–উপাত্তকে ভ্রান্ত বলে দাবি করেন।
ফিলিস্তিনে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে থাকা সময়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ পেল। জাতিসংঘ আরও জানায়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত দুই ফিলিস্তিনির ঘটনা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দেয়।
গাজায় যুদ্ধবিরতি চললেও ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে, মানুষের দুর্দশা এখনো একই রকম। শীত–বৃষ্টিতে তাঁবুতে থাকা, পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়া এবং দফায় দফায় ইসরায়েলি হামলার মুখে সাধারণ মানুষ মারাত্মক সংকটে রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au