ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনেই নিহত ১৪১
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার-সমর্থিত বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১৪১ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত কয়েকটি…
মেলবোর্ন, ১ ডিসেম্বর- পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের সময় গুলি ছুড়ে ভাইরাল হওয়া যে যুবকের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তিনি জামায়াতে ইসলামের কর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষের দিন অস্ত্র হাতে গুলি ছোড়া যুবক তুষার মণ্ডল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়। এখনো তাকে গ্রেপ্তারের সুযোগ হয়নি, তবে তাকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
তুষার মণ্ডল ঈশ্বরদী পৌরসভার ভেলুপাড়া এলাকার তাহের মণ্ডলের ছেলে। স্থানীয় কয়েকটি সূত্র জানায়, তিনি পাবনা জেলা জামায়াতের আমির এবং পাবনা ৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতে ইসলামীর নানা কার্যক্রমে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল।
এই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি দুটি মামলায় বিএনপি এবং জামায়াতের পাঁচজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে জামায়াতের দুজন এবং বিএনপির তিনজনকে আটক করা হয়। পরদিন বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার দুপুরে সংঘর্ষ নিয়ে বিএনপি এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।
সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার ছেলে এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বাঁধন হাসান আলিম বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা করেন। এতে ৩২ জন জামায়াত নেতার নাম উল্লেখ করা হয় এবং ১৫০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এই মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে জামায়াত নেতা এবং পাবনা ৪ আসনের প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলকে।
অন্য মামলাটি দেন ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম। এই মামলায় ৩৮ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয় এবং আরও ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলার প্রধান আসামি করা হয় মক্কেল মৃধাকে। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, যাদের অধিকাংশই বিএনপি প্রার্থী এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের আত্মীয় ও অনুসারী।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলার চর গড়গড়ি এলাকায় জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক নেতা কর্মী আহত হন। ঘটনার পর এলাকা থমথমে হয়ে পড়ে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে বিএনপি এবং জামায়াতের বেশ কিছু নেতা কর্মী এলাকা ছাড়েন।
শনিবার বিকেলে সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি এলাকায় মক্কেল মৃধার বাড়ির পাশের বাঁশঝাড় ও জঙ্গল থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ব্যবহৃত নয়টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযানে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ এবং পাকশী ও রুপপুর ফাঁড়ির সদস্যরা অংশ নেয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au