৯ মাসে নির্যাতনের শিকার ২ হাজার ১৭১ নারী ও কন্যাশিশু
চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন ২ হাজার ১৭১ জন নারী ও কন্যাশিশু। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড…
মেলবোর্ন, ২ ডিসেম্বর- বাংলাদেশের সড়কপথ ব্যবহার করে ভারতের ভেতর দিয়ে ভুটানের ট্রানশিপমেন্ট পণ্য পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে ভারত। আজ সোমবার দুপুরে অনুমোদন পাওয়ার পর বিকেলেই লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে কন্টেইনারবাহী ট্রাকটি ভুটানের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এ চালানটি গত শুক্রবার থেকে অনুমোদনের অভাবে বন্দরে আটকে ছিল।
বুড়িমারী কাস্টমস ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে ভারতের কলকাতা কাস্টমস চ্যাংড়াবান্ধা কাস্টমসকে অনুমতিপত্র পাঠায়। পরে তা বুড়িমারী কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। প্রয়োজনীয় কাগজ যাচাইয়ের পর বেনকো লিমিটেডের সহায়তায় কনটেইনারটি শূন্যরেখা থেকে চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দরে পাঠানো হয়।
সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন জানান, ভারত ও ভুটানের সরকারি ছুটির কারণে অনুমতি পেতে দেরি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রোটোকল চুক্তিতে বুড়িমারী রুট উল্লেখ থাকা নিয়েও কিছু জটিলতা ছিল। সব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ভারতীয় কাস্টমস আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেয়।
কাস্টমস সূত্র জানায়, কনটেইনারটি এখন ভারতীয় কাস্টমসের হেফাজতে আছে। মঙ্গলবার ট্রানজিট রুট ব্যবহার করে ভুটানে পাঠানো হবে।
থাইল্যান্ডের আবিত ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড ছয় ধরনের পণ্য পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ফলের জুস, জেলি, শুকনা ফল, লিচু ফ্লেভারের ক্যান্ডি ও শ্যাম্পু আছে। চালানটি ল্যাম চ্যাবাং বন্দর থেকে পাঠানো হয় এবং ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে পৌঁছায়। পরে গত শুক্রবার এটি বুড়িমারীতে আসে, কিন্তু ভারতীয় অনুমতি না থাকায় কনটেইনারটি ইয়ার্ডেই আটকে ছিল।
বুড়িমারী কাস্টমসের সহকারী কমিশনার দেলোয়ার হোসেন বলেন, আজ অনুমতি মিলতেই চালানটি ভারতে পাঠানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ট্রানজিট চলমান থাকলে বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au