চাঁদপুরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ: বৃদ্ধের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মো. অরুণ ভূঁইয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন…
মেলবোর্ন, ২ ডিসেম্বর- সরকারি প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মবিরতি ও পরীক্ষা বর্জনের কারণে সারাদেশে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। দশম গ্রেডসহ তিন দফা দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলন চলেছে টানা চার দিন। বার্ষিক পরীক্ষা নিচ্ছেন না শিক্ষকরা। একইভাবে চার দফা দাবিতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পরীক্ষাবর্জন ও কর্মবিরতিতে রয়েছেন দ্বিতীয় দিন।
শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
৭ নভেম্বর থেকে সহকারী শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পরে সরকারের আশ্বাসে তা স্থগিত করে নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। আশ্বাস কার্যকর না হওয়ায় ৩০ নভেম্বর থেকে তারা পরীক্ষাবর্জনসহ কর্মবিরতিতে ফেরেন।
মঙ্গলবার আন্দোলনের চতুর্থ দিন। তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন বা বার্ষিক পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষকরা তা নেননি।
বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থবিভাগের আশ্বাসে অপেক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় বাধ্য হয়ে আবারও কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কয়েকটি সংগঠনের নেতারা, যার মধ্যে আছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (কাসেম–শাহীন) সভাপতি আবুল কাসেম, সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি এবং দশম গ্রেড বাস্তবায়ন আন্দোলনের অন্যতম মুখ মাহবুবুর রহমান।
একই সময়ে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চার দফা দাবিতে ১ ডিসেম্বর থেকে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করছেন। মঙ্গলবার ছিল দ্বিতীয় দিনের লাগাতার কর্মবিরতি।
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে সহকারী শিক্ষক পদকে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের আওতায় আনা, শূন্য পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি দ্রুত কার্যকর করা, সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী বকেয়া টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড অনুমোদন এবং ২০১৫ সালের আগে প্রচলিত ইনক্রিমেন্ট সুবিধা পুনর্বহাল।
দুই স্তরের আন্দোলন একযোগে চলায় প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত পরীক্ষার সময়সূচি ও শিক্ষাবর্ষের শেষপ্রান্তে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বার্ষিক মূল্যায়ন আটকে গেছে, আর অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
শিক্ষক নেতারা জানান, দাবি পূরণ ছাড়া তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো নতুন বৈঠকের আহ্বান জানায়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au