মেলবোর্ন, ১৫ ডিসেম্বর- ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলির ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার দুই দিন পর রোববার রাতে মামলাটি দায়ের করা হয়।
থানার এক কর্মকর্তা জানান, মামলার এজাহারে একজনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিনি বিস্তারিত বলতে চাননি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জুলাই আন্দোলন ও আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত করার দাবির কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শরীফ ওসমান হাদি আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগে গেলে তিনি হামলার শিকার হন।
পুলিশ জানায়, চলন্ত একটি রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে থাকা এক ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। গুলিটি তার মাথায় লাগে।
আহত অবস্থায় হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার চিকিৎসা এখনও চলমান।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে।
এই ঘটনার তদন্তে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক আব্দুল হান্নানকে রোববার ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হামলাকারীদের ধরতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এর মধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
র্যাব জানিয়েছে, রোববার রাতে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সামিয়া, তার শ্যালক শিপু এবং পরিচিত মারিয়া। র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, গুলির ঘটনার আগে ও পরে ফয়সালের সঙ্গে তাদের একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
র্যাব আরও জানায়, অভিযুক্ত ফয়সালের স্বাক্ষর করা বেশ কিছু চেকবই ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
হাদিকে গুলির ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এই হামলা হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।য
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলির ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার দুই দিন পর রোববার রাতে মামলাটি দায়ের করা হয়।
থানার এক কর্মকর্তা জানান, মামলার এজাহারে একজনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিনি বিস্তারিত বলতে চাননি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জুলাই আন্দোলন ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবির কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শরীফ ওসমান হাদি আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগে গেলে তিনি হামলার শিকার হন।
পুলিশ জানায়, চলন্ত একটি রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে থাকা এক ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। গুলিটি তার মাথায় লাগে।
আহত অবস্থায় হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার চিকিৎসা এখনও চলমান।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে।
এই ঘটনার তদন্তে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক আব্দুল হান্নানকে রোববার ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হামলাকারীদের ধরতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এর মধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
র্যাব জানিয়েছে, রোববার রাতে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সামিয়া, তার শ্যালক শিপু এবং পরিচিত মারিয়া। র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, গুলির ঘটনার আগে ও পরে ফয়সালের সঙ্গে তাদের একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
র্যাব আরও জানায়, অভিযুক্ত ফয়সালের স্বাক্ষর করা বেশ কিছু চেকবই ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
হাদিকে গুলির ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এই হামলা হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।