ইরান ইস্যুতে ন্যাটোর অবস্থানকে ‘বোকামি’ বললেন ট্রাম্প
মেলবোর্ন, ১৮ মার্চ- ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘খুবই বোকামিপূর্ণ ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের…
মেলবোর্ন, ১৬ ডিসেম্বর- প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা এবং চলমান রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেই থাইল্যান্ডে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল গত সপ্তাহে সংসদ ভেঙে দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই ভোটে যাচ্ছে দেশটি। সংসদের সবচেয়ে বড় দল বিরোধী পিপলস পার্টির সঙ্গে তীব্র মতবিরোধের জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি থাইল্যান্ড বর্তমানে কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতেও জড়িয়েছে। ফলে নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনে থাই নাগরিকরা ৫০০ জন সংসদ সদস্য নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে ৪০০ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন এবং বাকি ১০০টি আসন দলীয় তালিকার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল সর্বোচ্চ তিনজন করে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে।
কমিশন আরও জানিয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হবে। ফল ঘোষণার পর ১৫ দিনের মধ্যে নতুন সংসদকে স্পিকার নির্বাচন করতে হবে এবং এরপর প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
আনুতিন চার্নভিরাকুল ২০২৩ সালের আগস্টের পর থেকে থাইল্যান্ডের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। গত সেপ্টেম্বর তিনি পিপলস পার্টির সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী হন। সে সময় সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু এবং জানুয়ারির শেষ দিকে সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।
৬৯ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ রাজনীতিকের জন্য বর্তমান সীমান্ত পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কম্বোডিয়ার সঙ্গে সংঘাতের কারণে থাইল্যান্ডে জাতীয়তাবাদী মনোভাব বাড়ছে, যা ক্ষমতাসীনদের পক্ষে যেতে পারে।
তবে বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, বিরোধী পিপলস পার্টিই এখনো দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক শক্তি। দলটির আগের নাম ছিল মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি, যারা ২০২৩ সালের সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছিল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au