ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৭
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও…
মেলবোর্ন ১৭ ডিসেম্বর- ফিলিস্তিনি পাসপোর্টধারী এবং আরও সাত দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান, সিয়েরা লিওন, লাওস ও সিরিয়া। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস থেকে সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় ও জননিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ক্ষেত্রে স্ক্রিনিং, যাচাই-বাছাই এবং তথ্য আদান-প্রদানে স্থায়ী ও গুরুতর ঘাটতি রয়েছে। এসব দুর্বলতার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে প্রশাসনের মূল্যায়ন।
এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে সাম্প্রতিক কড়াকড়িরই অংশ। এর আগে গত বছরের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসনসংক্রান্ত প্রায় সব কার্যক্রম স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই তালিকায় ছিল আফগানিস্তান, মিয়ানমার, বুরুন্ডি, শাদ, কিউবা, রিপাবলিক অব কঙ্গো, ইকুয়াটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লাওস, লিবিয়া, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, সুদান, টোগো, তুর্কমেনিস্তান, ভেনেজুয়েলা ও ইয়েমেন।
পরে গত ৪ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা দেশের সংখ্যা অন্তত ৩২টিতে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে সে সময় অতিরিক্ত দেশগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্রসৈকতে বন্দুক হামলায় ১৫ জন ইহুদি নিহত হওয়ার ঘটনার পর ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে- এমন ধারণা আগেই আলোচনায় ছিল। সে প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনি পাসপোর্টধারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারিকে অনেকেই অপ্রত্যাশিত মনে করছেন না।
তবে সিরিয়ার নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি তুলনামূলকভাবে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। কারণ সম্প্রতি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ শারা হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। সাবেক আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট শারার বিরুদ্ধে থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ওই সফরের আগে প্রত্যাহারও করা হয়েছিল।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, সিরিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও একজন দোভাষী নিহত হওয়ার ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে হামলাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন এবং কড়া প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দেন।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে সিরিয়া প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, দেশটি দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তবে এখনো সেখানে পাসপোর্ট ও নাগরিক নথি ইস্যুর জন্য কার্যকর ও পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে যথাযথ স্ক্রিনিং ও যাচাই-বাছাই ব্যবস্থা না থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করেছে প্রশাসন।
নতুন এই নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়ে আবারও বিতর্ক উসকে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র : রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au