ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনেই নিহত ১৪১
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার-সমর্থিত বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১৪১ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত কয়েকটি…
মেলবোর্ন ১৭ ডিসেম্বর- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পার্টি। তবে দলটি এককভাবে নাকি জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে এ তথ্য জানা গেছে।
জাতীয় পার্টির একাধিক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে বুধবার দলের বর্ধিত সভা ডাকা হয়েছে। সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়, কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েই এই সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে দলের চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি শৌর্য দ্বীপ্ত সূর্য জানিয়েছেন, বুধবার বিকাল চারটায় কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে। দলীয় সূত্রের ধারণা, ওই সংবাদ সম্মেলনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম পাটোয়ারী বলেন, আগামী নির্বাচনে দল মনোনয়নপত্র জমা দেবে। এর আগে সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানান, আপাতত তিনশ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য প্রার্থী ও স্থানীয় নেতাদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জাতীয় পার্টির ভেতরে নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে একাধিক ধারা সক্রিয় রয়েছে। আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় পার্টির একটি অংশ এবং আনোয়ার হোসেন মুঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জেপিসহ মোট ১৮টি দল নিয়ে সম্প্রতি একটি নতুন জোট গঠন করা হয়েছে। জোটের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও মনোনয়ন দাখিলের জন্য নির্ধারিত সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, ১৭ দিনের সময়সীমা বাড়ানো প্রয়োজন।
জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে যাচ্ছে কি না, সেটিকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে দেখছে বিএনপি। একই সঙ্গে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা জানিয়েছেন, তারা জিএম কাদেরের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে যেতে আগ্রহী। তবে জাতীয় পার্টির ভেতরের মতপার্থক্য এবং জোটগত সমীকরণ বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত দলটির অবস্থান কোন দিকে যায়, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ কয়েকটি দল নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জিএম কাদের বলেন, নির্বাচনে এককভাবেও যাওয়ার চিন্তা রয়েছে তাদের। তিনশ আসনে প্রার্থী নিশ্চিত করার পর জোট কিংবা অন্য দলের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au