‘ভারতীয় বোর্ড আইসিসিকে নিয়ন্ত্রণ করে’
মেলবোর্ন,৬ মে- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের প্রভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সাইমন হারমার। তার দাবি, বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আন্তর্জাতিক…
মেলবোর্ন, ২৫ ডিসেম্বর: আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন একদল মার্কিন আইনপ্রণেতা। তারা বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার গঠনের সুযোগ পাওয়া মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার।
মার্কিন কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সদস্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে এ বিষয়ে একটি যৌথ চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির র্যাঙ্কিং মেম্বার গ্রেগরি মিক্স, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান বিল হুইজেঙ্গা, একই উপকমিটির র্যাঙ্কিং মেম্বার সিডনি কামলাগার-ডোভ এবং কংগ্রেসওম্যান জুলি জনসন।
চিঠিতে তারা আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত ‘ব্ল্যাঙ্কেট ব্যান’ বা সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মার্কিন আইনপ্রণেতারা বলেন, একটি প্রধান রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের আগে নিষিদ্ধ করা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে এবং ভোটারদের প্রকৃত পছন্দের সুযোগ সংকুচিত করে দিতে পারে।
তারা লিখেছেন, “বাংলাদেশের জনগণ একটি মুক্ত, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের সরকার বেছে নেওয়ার অধিকার রাখে। এই অধিকার রক্ষায় সব রাজনৈতিক দলকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া জরুরি।”
চিঠিতে আরও বলা হয়, একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনো বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিভাজন আরও বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের নীতির প্রতি সম্মান রেখে নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।
বাংলাদেশে বর্তমানে একটি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত। এই নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় দেশের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মার্কিন আইনপ্রণেতাদের এই চিঠিকে আন্তর্জাতিক মহলের একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বাংলাদেশের নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হবে, সে বিষয়ে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: the federal
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au