মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নতুন পূর্বাভাস অনুযায়ী চলতি বছরে মাথাপিছু জিডিপির হিসাবে ভারতের তুলনায় এগিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ। যদিও সামগ্রিক অর্থনীতির আকারে ভারত…
মেলবোর্ন, ২৯ ডিসেম্বর- হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হওয়ায় নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার পথে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের আদেশে ঋণখেলাপির তালিকা সংক্রান্ত জটিলতা আপাতত কেটে যাওয়ায় তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার জন্য আগে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে গেলে তার প্রার্থিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আপিল করেন। একই সঙ্গে ঋণ পুনঃতফসিল করে সিআইবির তালিকা থেকে নাম স্থগিত রাখার আবেদন জানান তার আইনজীবী।
রোববার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক শুনানি শেষে হাইকোর্টের আগের আদেশ স্থগিত করেন। পাশাপাশি সিআইবির ঋণখেলাপির তালিকায় মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম অন্তর্ভুক্ত রাখার বিষয়টিও স্থগিত করা হয়। এর ফলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে তার আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
এর আগে গত বুধবার ২৪ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করেছিলেন মান্না। শুনানি শেষে সেদিন হাইকোর্ট ওই রিট আবেদন খারিজ করে দেন। এরপরই তিনি চেম্বার আদালতে আপিল করেন।
এর প্রেক্ষাপটে জানা যায়, গত ৩ ডিসেম্বর মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে খেলাপি অর্থ আদায়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়ার বড়গোলা শাখা একটি কল ব্যাক নোটিশ জারি করে। নোটিশে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা পরিশোধের দাবি জানানো হয়। নোটিশটি মান্না ও তার দুই অংশীদারের ঠিকানায় পাঠানো হয় এবং ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ ছিল।
তথ্য অনুযায়ী, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক বাজারে অবস্থিত আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের মালিকানায় মাহমুদুর রহমান মান্নার অংশ ৫০ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর মালিকানা ২৫ শতাংশ এবং তার স্ত্রী ও পরিচালক ইসমত আরা লাইজুর অংশও ২৫ শতাংশ।
ব্যাংকের নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে ২২ কোটি টাকা বিনিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে নিয়মিতভাবে মুনাফা, চার্জ ও জরিমানা পরিশোধ না করায় বকেয়া অর্থ ধীরে ধীরে বেড়ে বর্তমান অঙ্কে পৌঁছেছে। লাভজনক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও বিনিয়োগ ফেরত বা অগ্রগতির কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় চূড়ান্ত সতর্কতা হিসেবে কল ব্যাক নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে মাহমুদুর রহমান মান্নার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত কাটল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au