সৌদি আরব, কাতারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ২১ হাজারের বেশি পাকিস্তানি বহিষ্কার
মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট- চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতারসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয়টি দেশ থেকে ২১ হাজার ৯৫১…
মেলবোর্ন ১৪ জানুয়ারি- বিশেষ প্যারাসুট জাম্প অভিযানের মাধ্যমে একসঙ্গে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিশ্বরেকর্ড গড়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নতুন করে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। গিনেস কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে রেকর্ডটি স্বীকৃতি দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানায়।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে ‘মোস্ট ফ্লাগস ফ্লোওন সিমুলটেনিয়াসলি হোয়াইল স্কাইডাইভিং (প্যারাসুট জাম্প)’ শিরোনামে এই অর্জনের বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, টিম বাংলাদেশের স্কাইডাইভাররা একযোগে আকাশে লাফ দিয়ে ৫৪টি জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের মাধ্যমে নতুন এই বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করেছেন।
আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজয়ের মাসে বাংলাদেশের জন্য এটি একটি অনন্য আন্তর্জাতিক সম্মান। গত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে ঢাকায় আয়োজিত বিশেষ এই প্যারাসুট জাম্প অভিযানের মাধ্যমে রেকর্ডটি গড়া হয়। দেশের ৫৪তম বিজয় দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
এই অভিযানে অংশ নেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ স্কাইডাইভাররা। আকাশে ভেসে ওঠে লাল-সবুজের পাশাপাশি বিশ্বের ৫৪টি দেশের পতাকা। অভিযানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ প্রশিক্ষিত প্যারাট্রুপাররাও অংশ নেন। পুরো কর্মসূচির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
গিনেস কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের স্কাইডাইভারদের একটি ঐতিহাসিক অর্জনে ঐক্যবদ্ধ করা এবং একই সঙ্গে জাতীয় ঐক্য ও সক্ষমতার প্রতীক তুলে ধরা। সাহসিকতা, নিখুঁত সমন্বয় ও পেশাদার দক্ষতার সমন্বয়ে এই রেকর্ড সম্ভব হয়েছে।
আইএসপিআর বলছে, এই সাফল্য কেবল একটি বিশ্বরেকর্ডে সীমাবদ্ধ নয়। এটি বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা এবং সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের শক্তিশালী বার্তা বহন করে। আকাশে উড়তে থাকা লাল-সবুজের সঙ্গে বিশ্বজুড়ে ৫৪টি পতাকা বাংলাদেশের সক্ষমতা ও মর্যাদাকে নতুন করে তুলে ধরেছে।
এই অর্জন ইতিহাসে একটি গর্বের অধ্যায় হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশের জন্য আরও বড় স্বপ্ন দেখাতে অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au