নিজেদের স্বার্থেই রাশিয়ার তেল কেনে ভারত: রুশ রাষ্ট্রদূত
রাশিয়ার তেল ভারত নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের কথা বিবেচনা করেই কেনে, রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থায়নে সহায়তা করার জন্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতে…
মেলবোর্ন, ২১ জানুয়ারি- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চূড়ান্ত চিত্র সামনে এসেছে। মঙ্গলবার শেষ দিনে ২৯৮টি আসনে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর এখন ভোটের মাঠে রয়েছেন মোট ১৯৬৭ জন। বাকি দুটি আসনে আইনি প্রক্রিয়া ও সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর পরদিন বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচার। নির্বাচন কমিশনের হিসাবে এবার প্রায় ৫০টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এর বাইরে শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা নির্বাচনের মাঠকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রচারপর্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে তারা কঠোর থাকবে। আগাম প্রচার, পোস্টার-ব্যানার ব্যবহার, শোডাউন কিংবা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহার বরদাস্ত করা হবে না। ইতোমধ্যে আগাম প্রচারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে সতর্ক করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেন, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে আচরণবিধি মানা নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্রিয় রাখা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ তৈরিতে নানা পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে কমিশন। ভোটের পরিবেশ ও সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় কয়েকজন প্রার্থীর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের মূল আমেজ শুরু হবে। প্রচার চলাকালে সহিংসতা, আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং অপতথ্য ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। এসব বিষয়ে কমিশন যদি শুরু থেকেই দৃঢ় অবস্থান নেয়, তবে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তারা।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, অংশগ্রহণমূলক এই নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে তারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কঠোর নজরদারি বজায় রাখবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au