চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৭ জানুয়ারি- রংপুরের তারাগঞ্জে আলোচিত রূপলাল ও প্রদীপ লাল হত্যা মামলার এক আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহত রূপলালের স্ত্রী ভারতী রানী সোমবার তারাগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৯ আগস্ট রাতে মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বালুয়া এলাকা থেকে ভ্যান নিয়ে তারাগঞ্জ উপজেলার ঘনিরামপুর গ্রামে বাড়ি ফিরছিলেন প্রদীপ লাল। পথ ভুল হলে তাঁকে আনতে যান রূপলাল। রাত সাড়ে আটটার দিকে সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলা মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন তাঁদের চোর সন্দেহে আটক করে। পরে দফায় দফায় মারধরের একপর্যায়ে দুজনের মৃত্যু হয়।
পরদিন ১০ আগস্ট রূপলালের স্ত্রী ভারতী রানী বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে।
থানায় দেওয়া অভিযোগে ভারতী রানী উল্লেখ করেন, গ্রেপ্তারকৃতদের একজন মো. রুবেল পাইকার জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর গত ২২ জানুয়ারি তারাগঞ্জ বাজারে তাঁকে ও তাঁর ছেলে জয়কে দেখে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেন। অভিযোগে বলা হয়, তিনি মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে রুবেল পাইকার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যার হুমকি দেন। এ সময় বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়।
নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে ভারতী রানী বলেন, ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করেছিলাম। এখন আমাকে ও আমার সন্তানকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার ছেলে বাইরে দোকান করে সংসার চালায়, কিন্তু এখন সে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। নিরুপায় হয়ে প্রাণ বাঁচানোর জন্য থানায় অভিযোগ দিতে হয়েছে।
নিহত রূপলালের ছেলে জয় রবিদাস বলেন, ভিডিওতে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের স্পষ্ট দেখা গেলেও তারা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। প্রশাসনের কাছে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে, হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. রুবেল পাইকার। তাঁর দাবি, মামলায় অনেক আসামি রয়েছে এবং তাঁরা কাউকে মামলা তুলে নিতে বলেননি। অভিযোগগুলো সাজানো বলে দাবি করেন তিনি।
তারাগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই প্রদীপ কুমার বর্মণ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, তিনি আদালতে থাকায় অভিযোগের বিস্তারিত এখনো জানতে পারেননি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au