সর্বশেষ

আড়াই বছর আলাদা মৌসুমী-সানী, ডিভোর্সের গুঞ্জন

  • 4:13 pm - January 28, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১২৬ বার

মেলবোর্ন, ২৮ জানুয়ারি- ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে যান চিত্রনায়িকা মৌসুমী। এরপর আর দেশে ফেরেননি। মৌসুমীর স্বামী চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানীও এই সময়টাতে যুক্তরাষ্ট্রমুখী হননি। ফলে প্রায় আড়াই বছর দেখা নেই দুজনের। স্বাভাবিকভাবেই গুঞ্জন তৈরি হয়, ওমর সানী-মৌসুমীর তিন দশকের দাম্পত্যজীবনে ফাটল ধরেছে। তবে বারবার গুঞ্জনটি উড়িয়ে দিয়েছেন ওমর সানী। অনেক সময় বিরক্ত হয়ে আক্রমণাত্মক উত্তরও দিয়েছেন। এবার মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কারণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরলেন সানী।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে হাজির হলে দাম্পত্যজীবনের এই গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় ওমর সানীকে। এবারও উড়িয়ে দেন নব্বইয়ের দশকের ঢাকাই সিনেমার এই নায়ক। এসব কথা যারা ছড়ায় তাদের পাগল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। জানান, মানুষের এমন প্রশ্ন শুনতে শুনতে তিনি বিরক্ত। কেউ কেউ নাকি তাঁর কাছে ডিভোর্স লেটারও দেখতে চেয়েছেন! মাঝে খবর প্রকাশ হয়েছিল, চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অভিমান করে দেশ ছেড়েছেন মৌসুমী। এই বিষয়টিও সত্য নয় বলে দাবি করেন সানী। সানী জানান, মা ও মেয়ের দেখাশোনার জন্যই মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।

ওমর সানী বলেন, ‘মৌসুমীরা তিন বোন। সবার বড় মৌসুমী, এরপর স্নিগ্ধা, সবার শেষে ইরিন। দীর্ঘদিন ধরে ইরিন আটলান্টা ও স্নিগ্ধা ফ্লোরিডায় থাকে। আমার শাশুড়ি শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন না। তাই চিকিৎসার জন্য তাঁকে ওরা যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে তো সবাইকে কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই তাঁকে দেখভাল করা কঠিন ছিল। মূলত এ কারণেই মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া। আমিও ভিসার জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আমার ভিসা হয়নি। পরবর্তী সময়ে আমি আর আগ্রহ দেখাইনি।’

সবকিছু বিবেচনা করে ওমর সানীর সঙ্গে পরামর্শ করেই মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে যান। সানী বলেন, ‘মৌসুমী আমাকে বলল, “দেখো, বাবা মারা গেছে, শ্বশুর-শাশুড়িও মারা গেছে। আমি যদি আমার মায়ের এই সময়টাতে পাশে না থাকতে পারি, তাহলে রোজ কিয়ামতের দিন কী জবাব দেব? প্রায় ২৯ বছর তোমার সংসার করলাম একসঙ্গে, আমাকে যেতে দাও।” তারপর আমি এবং মৌসুমী সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মা যত দিন বেঁচে আছেন, তত দিন আমরা তাঁর পাশে থাকব।’

 

মৌসুমী যখন যুক্তরাষ্ট্রে যান, ওই সময় তাঁর মেয়ে ফাইজাও পড়াশোনার জন্য দেশটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। এই বিষয়টিও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে জানান সানী। তিনি বলেন, ‘সে সময় আমার মেয়ে ফাইজাও যাবে যুক্তরাষ্ট্রে। আমরা সব সময় সন্তানদের টেক কেয়ার করেছি। তাদের একলা ছেড়ে দিইনি। আসলে সন্তান বড় হয়ে গেলে একাই পথ চলো রে নীতিটা নিতে পারছিলাম না। চিন্তা করলাম, মৌসুমী মাকে দেখবে আবার মেয়েকেও দেখবে।’

সবশেষে ওমর সানী বলেন, ‘মৌসুমী সেখানে অনেক কষ্ট করে, মায়ের জন্য কষ্ট করে, তাঁর সন্তানের জন্য কষ্ট করে। আমাদের একটা ফ্যামিলি গ্রুপ আছে, সেখানে আমাদের প্রতিদিন কথা হয়। আশা করছি খুব দ্রুত আমাদের সামনাসামনি দেখা হবে।’

 

এই শাখার আরও খবর

পরিবারের দাবি, ফাঁসানো হয়েছে : চুম্বনের দাবিও নিশ্চিত নয়

ওটিএন বাংলা ডেস্ক: সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় অভিযোগ, আদালতের রায় এবং বাংলাদেশকে আগে অবহিত না করার কারণ জানতে চেয়েছে…

এবার জার্মানিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক শিক্ষার্থীদের

  জার্মানিতে শিক্ষা ও সামাজিক খাতে ব্যয় সংকোচন, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের পরিকল্পনার প্রতিবাদে আগামী ৩১ অক্টোবর দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থী…

বিজয়া দশমীতে সিঁদুরের রঙে আনন্দ, দেবী বিদায়ে বিষাদ

ওটিএন বাংলা ডেস্ক :  ছয় দিনের পূজা-অর্চনা শেষে বিদায়ের পালা দেবী দুর্গার। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শেষ অর্ঘ্য নিবেদন, দর্পণ বিসর্জন ও ঘট বিসর্জনের মধ্য…

‘পাপের লাশ দেশে আসুক চাই না’ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন বিএনপির এমপি

সৌদি আরবে শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিরোধিতা করে ‘পাপের লাশ দেশে আসুক চাই না’ মন্তব্য করেছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের…

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কি ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকিতে?

সামরিক কৌশল, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়ে একসঙ্গে চাপে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাত, আঞ্চলিক মিত্রদের…

মাগুরায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au