২২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে আর্জেন্টাইন ফুটবলার লাউতারো ফাজিওলি
মেলবোর্ন, ২১ জুন- বিশ্বজুড়ে যখন ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মগ্ন ফুটবলপ্রেমীরা, ঠিক তখনই আর্জেন্টিনার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্ট্রোকের সঙ্গে প্রায় ২০ দিনের…
মেলবোর্ন, ১৮ ফেব্রুয়ারি- শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না দিলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ এখনো জিডিপির তুলনায় সন্তোষজনক নয় এবং এ অবস্থায় জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা কঠিন হবে।
বুধবার সচিবালয়ে নিজ সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্রের প্রাথমিক পর্যায়ে খাদ্য ও নিরাপত্তা খাতকে গুরুত্ব দেওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও যদি শিক্ষা খাত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না পায়, তা হতাশাজনক। তার মতে, উন্নয়নের কথা বলার আগে ঠিক করতে হবে রাষ্ট্র হিসেবে আমরা কোন খাতকে সামনে রাখতে চাই। অগ্রাধিকার নির্ধারণ না করলে বাজেট বণ্টনেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসে না।
তিনি জানান, বর্তমানে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ জিডিপির প্রায় দুই শতাংশের কাছাকাছি। এটিকে পাঁচ থেকে ছয় শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার তুলনায়ও বাংলাদেশের শিক্ষাবাজেট কম। এ বাস্তবতায় শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব নয়।
অতীতে শিক্ষা খাতকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার ফলেই বরাদ্দ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, পরিকল্পিত বিনিয়োগ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়।
পাঠ্যক্রম বা কারিকুলাম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে পাঠ্যক্রম পরিবর্তন হয়েছে এবং তা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছে। যেকোনো পরিবর্তন বাস্তবতা, সময়ের প্রয়োজন ও জাতীয় লক্ষ্য বিবেচনায় করতে হবে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে নকল প্রতিরোধ ও শিক্ষায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, তার লক্ষ্য হলো শিক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকর, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণা যেন উন্নত দেশগুলোর কাছেও মূল্যায়িত হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করতে চান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি সমন্বিতভাবে কাজ করতে চান। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা পেলে অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান অগ্রগতি সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমন অবস্থানে নিতে হবে যাতে তা নিয়ে কেউ প্রশ্ন না তোলে। বরং শিক্ষার মান, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সুশাসন এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au