বাংলাদেশ

তৃণমূলের কণ্ঠে ২৩ জুন:

বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ ফিরবে কি?

সরদার সেলিম রেজা । রাজনৈতিক বিশ্লেষক, পরিবেশ কর্মী, সভাপতি: বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য কেন্দ্র।

  • 1:05 pm - June 21, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৫ বার
সরদার সেলিম রেজা রাজনৈতিক বিশ্লেষক, পরিবেশ কর্মী, সভাপতি: বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য কেন্দ্র।ছবি : সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২১ জুন- ২৩ জুন ১৯৪৯। ঢাকার রোজ গার্ডেনে জন্ম নিয়েছিল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্রহীন পাকিস্তানে বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এই দলের রীতি ছিল একটাই-নেতা আসবে নেতৃত্বগুণে, অনুগ্রহে নয়। কর্মীর সমর্থনে সাধারণ সম্পাদক হবেন, মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেবেন সংগঠনের জন্য। ১৯৫৬ সালে বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীত্ব ছেড়ে সাধারণ সম্পাদক থাকা-এই দৃষ্টান্তই দলের চেতনা।

২০২৬ এর ২৩ জুনে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের কণ্ঠ শুনলে মনে হয়, দল তার শেকড় থেকে কিছুটা সরে এসেছে। ৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী বাস্তবতায় জেলা-উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাদের মনের কথা, কষ্ট, আকাঙ্ক্ষা খোলাখুলি বলছে। এই কলামে সেই কণ্ঠগুলোর বিশ্লেষণ তুলে ধরলাম।
১. তৃণমূলের মতামত: “দল আছে, আদর্শ আছে, মূল্যায়ন নাই”

মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সবচেয়ে বড় অনুভূতি-আদর্শের প্রতি ভালোবাসা কমেনি, কিন্তু সাংগঠনিক মূল্যায়ন কমেছে। ১৯৬ পর্যন্ত দল ছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারক। এরপর ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিতে তৃণমূল ও কেন্দ্রের দূরত্ব বেড়েছে।

তৃণমূলের ৫টি পর্যবেক্ষণ:

ক. নেতা-কর্মী যোগাযোগের ঘাটতি: জেলা পর্যায়ের অনেক নেতার কাছে তৃণমূলের কর্মী পৌঁছাতে পারত না। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান মনোনয়ন, উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব—সবই প্রশাসন বা চিহ্নিত কয়েকজনের মাধ্যমে যেত। কর্মীর সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না দেখার কেউ ছিল না। ফল: কর্মী নিজেকে “অবহেলিত” মনে করেছে।

খ. মনোনয়ন বাণিজ্য ও গণতন্ত্রের অভাব: গত ১৫ বছরে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সংসদ মনোনয়নে তৃণমূলের মতামত উপেক্ষিত হয়েছে। যেখানে দলীয় প্রতীক দিলে নিশ্চিত জয়, সেখানে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ কম ছিল। বঙ্গবন্ধুর আমলের “কর্মীর ভোটে নেতা”—এই চর্চা দুর্বল হয়েছে।

গ. তোষামোদ বনাম আদর্শ: তৃণমূলের অভিযোগ—আদর্শ ধারণ করা কর্মীর চেয়ে “দালী” করা ব্যক্তি বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর যখন অনেক কর্মী জেল-হাজতে, তখন তাদের খোঁজ নেওয়ার মতো সাংগঠনিক কাঠামো দুর্বল ছিল। এই “লজ্জা” কাটাতে হলে কর্মী মূল্যায়নের সংস্কৃতি ফেরাতে হবে।

ঘ. সাংগঠনিক কাঠামোর দুর্বলতা: আমলা-নির্ভরতা বেড়েছে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের সামাজিক অবস্থান দুর্বল হয়েছে। ওয়ার্ড-ইউনিয়ন কমিটি কাগজে ছিল, মাঠে সক্রিয় ছিল না। ফলে জনগণের সাথে দলের সংযোগ ছিন্ন হয়েছে।

ঙ. উন্নয়নের সুফল তৃণমূলে না পৌঁছানো: পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল—বড় উন্নয়ন হয়েছে। স্থানীয় রাস্তা, ব্রিজ—এসব কাজে ঠিকাদারী গোষ্ঠীর প্রভাব ও গাফিলতির কারণে তৃণমূলের মানুষ সুফল পুরোপুরি পায়নি। কর্মীরা চায়—উন্নয়নের ক্রেডিট নেতার না, জনগণের হোক।

২. তৃণমূলের চাওয়া: বঙ্গবন্ধুর নীতি – রীতি ফেরানো

তৃণমূলের চাওয়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। চাওয়া হলো দলকে তার মূল আদর্শে ফেরানো।

১. গণতান্ত্রিক চর্চা: ১৯৫৬ এর মতো “ক্ষমতার চেয়ে সংগঠন বড়”—এই নীতি- রীতি ফেরাতে হবে। ওয়ার্ড থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত কাউন্সিল, গোপন ব্যালটে নেতা নির্বাচন। নেতার অনুগ্রহ না, কর্মীর সমর্থন হবে মানদণ্ড।

২. তৃণমূলের খবর রাখা: প্রতি এমপি, জেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে মাসে ১ দিন নিজ এলাকায় “জনসংযোগ দিবস” পালন করতে হবে। কর্মীর খোঁজ নিতে হবে। যে কর্মী জেলে, অসুস্থ, তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে। “নেতা আমি, আমার খোঁজ নাও”—না, “কর্মী আমার, আমি তার খোঁজ রাখি”—এই মানসিকতা চাই।

৩. মনোনয়নে স্বচ্ছতা: ইউনিয়ন-উপজেলা-জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। তৃণমূলের মতামত জরিপ, জনপ্রিয়তা যাচাই করে প্রার্থী দিতে হবে। যেখানে দলীয় প্রতীক দিলে জয় নিশ্চিত, সেখানে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা যাবে না।

৪. রাজাকার-বিরোধী চেতনার পুনর্জাগরণ: বঙ্গবন্ধুর দল মানেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। জামাত-শিবির মেধাবী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে—এই আশংকা তৃণমূলের। তাই স্কুল-কলেজে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাঙালি সংস্কৃতি জোরদার করতে হবে। গুজব প্রতিরোধে অনলাইন প্রচারণা বাড়াতে হবে। ইসলামী ব্যাংক, কোচিং সেন্টার, নিকাহ রেজিস্ট্রার অফিস—সব জায়গায় মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রভাব মুক্ত করতে তৃণমূলের দাবি।

৩. তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষা: “বঙ্গবন্ধুকে জাতির বঙ্গবন্ধু করা”

তৃণমূলের আবেগের জায়গা—বঙ্গবন্ধু শুধু আওয়ামী লীগের না, জাতির পিতা। ভারতে মহাত্মা গান্ধী, পাকিস্তানে জিন্না যেমন “জাতির পিতা” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, তেমনি বঙ্গবন্ধুকে জাতির মর্যাদায় আসীন করতে হবে।

আকাঙ্ক্ষা ৩টি:

ক. ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো: ৫৪ বছর পরও নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস যায়নি। টিভি উপস্থাপিকা “একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান” বলতে গিয়ে ভুল বলে—এটা লজ্জার। স্কুল-কলেজে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, ডকুমেন্টারি, ডিজিটাল আর্কাইভ চাই।

খ. বঙ্গবন্ধুর নামের অপব্যবহার বন্ধ: ব্যক্তি স্বার্থে বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠান করা তৃণমূলের চোখে “সমীচীন হয়নি”। বঙ্গবন্ধু খেলনা না। তার নাম ব্যবহার হবে জাতীয় স্বার্থে, ব্যক্তি স্বার্থে না।

গ. শক্তিশালী সামাজিক ভিত্তি: তৃণমূল চায়— এখন আওয়ামী লীগের পক্ষে ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, কৃষক-শ্রমিক সংগঠন, শিশু-কিশোর সংগঠন। এই সংগঠনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনোজগতে পৌঁছানো। শুধু নির্বাচনের সময় কর্মী দরকার, বাকি সময় না—এই প্রবণতা বাদ দিতে হবে। সারাবছর মানুষের পাশে থাকলে মানুষও দলের পাশে থাকবে।

৪. ভুল থেকে শিক্ষা: “ভিশন ২০৪১” থেকে “বাস্তব ২০২৬”

তৃণমূলের বিশ্লেষণ—“ভিশন ২০৪১” এর স্বপ্ন দেখা ভালো, কিন্তু বাস্তবতা হলো আমরা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ থেকে যোজন যোজন দূরে। একটি উন্নত দেশ, ডিজিটাল জনগোষ্ঠী, রূপান্তরিত উৎপাদন—স্বপ্ন ছিল, বাস্তবায়ন হয়নি। কারণ তৃণমূলের শক্তি ব্যবহার হয়নি।

৫. ভবিষ্যৎ পথ: তৃণমূল-কেন্দ্রিক আওয়ামী লীগ

বঙ্গবন্ধু শিখিয়েছেন—“গণতন্ত্র ছাড়া মুক্তি নাই”। দলের ভেতরেও গণতন্ত্র লাগবে। ২৩ জুনে তৃণমূলের বার্তা স্পষ্ট:

১. কর্মী মূল্যায়ন নীতি: যে কর্মীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সত্যিকার আদর্শের ওপর ভর করে লড়াকু জীবন বেছে নিয়েছেন। এমন কর্মীর খোঁজ নিতে হবে। জেল-হাজতে পড়ে থাকা কর্মীর পরিবার অসহায়—এই লজ্জা কিন্তু দলের। কিন্তু তাদের দেখার কেউ নাই । একটা কথা মনে রাখতে হবে কর্মী বাঁচলে দল বাঁচে।

২. সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ: বাঙালি সংস্কৃতি সমৃদ্ধ করতে হবে। রবীন্দ্রনাথ-নজরুল-লালনের বাংলাদেশে উগ্রতার জায়গা নাই। শক্তিশালী সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তুলতে হবে।

৩. নেতৃত্বের গুণাবলি: শেখ মুজিবের মতো নেতা দরকার—যার আহ্বানে মানুষ জামাত-শিবিরের মতো মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করবে। কিন্তু সেই নেতা জন্মাবে তৃণমূল থেকে। উপরতলার নেতারা যদি তৃণমূল উপেক্ষা করে, তাইলে অধঃপতন অনিবার্য।

৪. পরিশীলিত রাজনীতি: সংসদ কৌতুকের মঞ্চ না। পোশাক পরিশীলিত, বাক্যচয়ন সঠিক—এটা তৃণমূল চায়। লাখ টাকা খরচ করে সংসদকে হাসির পাত্র বানালে মানুষের আস্থা কমে। বর্তমান জামাত বিএনপি এনসিপি মহান জাতীয় সংসদকে কৌতুক মনঞ্চ বানিয়ে। যা মোটেই কাম্য হতে পারে না।
২৩ জুনের শপথ-

২৩ জুন মানে শুধু কেক কাটা না। মানে আত্মসমালোচনা। মানে বঙ্গবন্ধুর কাছে ফেরা। তৃণমূলের কর্মী বলছে—“আওয়ামী লীগ আছে, থাকবে, কারণ আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি”।

কিন্তু আদর্শ থাকলেই হবে না, চর্চা লাগবে। গণতন্ত্র লাগবে। কর্মী মূল্যায়ন লাগবে। জনগণের সাথে সংযোগ লাগবে।

বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেন যতদিন বাংলাদেশ থাকবে। তার নামে রাজনীতি করলে ব্যক্তি স্বার্থ বাদ দিতে হবে। তৃণমূলের কষ্ট বুঝতে হবে। কর্মীর হাসি-কান্নার ভাগীদার হতে হবে।

২৩ জুন ২০২৬ এ দাঁড়িয়ে শপথ হোক—আমরা ফিরে যাব রোজ গার্ডেনের সেই চেতনায়। যেখানে নেতা মন্ত্রীত্ব ছেড়ে সংগঠন বাঁচায়, কর্মী নেতাকে বানায়, আর জনগণই শেষ কথা বলে।

তৃণমূল জাগলে আওয়ামী লীগ জাগে। আওয়ামী লীগ জাগলে বাংলাদেশ জাগে।

এই শাখার আরও খবর

স্বাস্থ্য ও শিশুযত্ন নিয়ে হ্যানসনের মন্তব্যে চাপে ওয়ান নেশন

মেলবোর্ন, ২১ জুন- অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নতুন এক প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হয়ে পুরোনো পরীক্ষিত কৌশলেই এগোতে চাইছে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি। দেশটির ডানপন্থী দল ওয়ান নেশনের নেত্রী পলিন…

শুধু শিকার নয়, বীজ ছড়িয়ে এভারগ্লেডসের পরিবেশও বদলে দিচ্ছে ভয়ংকর বার্মিজ অজগর

মেলবোর্ন, ২১ জুন- ফ্লোরিডার এভারগ্লেডস জলাভূমিতে বার্মিজ অজগর দীর্ঘদিন ধরেই এক আতঙ্কের নাম। স্থানীয় বন্যপ্রাণী ধ্বংস, খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে দেওয়া এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাবের কারণে…

বুয়েনস আইরেসে ‘বাংলাদেশ সড়ক’ নামকরণের প্রস্তাব, ফুটবল-সংস্কৃতির বন্ধনে আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে ঢাকা-আর্জেন্টিনা

মেলবোর্ন, ২১ জুন- বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার সাংস্কৃতিক, সাহিত্যিক ও ক্রীড়াভিত্তিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে দুই দেশ। এর অংশ…

রাম বিগ্রহ অবমাননার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ

মেলবোর্ন, ২১ জুন- গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পরম আরাধ্য শ্রীরামচন্দ্রের বিগ্রহ অবমাননার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ভাঙচুর…

নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতায় পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ২৪

মেলবোর্ন, ২১ জুন- পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে আইনসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টানা বিক্ষোভ, ধর্মঘট ও সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনা পুরো অঞ্চলকে গভীর সংকটে ফেলেছে। কয়েক…

ভারতে মন্দিরের ছাদ ধসে ৪ জন নিহত, ধ্বংসস্তূপে আটকা প্রায় ২০

মেলবোর্ন, ২১ জুন- ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের পারভানী জেলায় একটি মন্দিরের সভা-মণ্ডপের ছাদ ধসে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ধ্বংসস্তূপের নিচে…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au