চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২১ ফেব্রুয়ারি- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে এবার প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধীদল হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর রাষ্ট্রীয় আচারের অংশ হিসেবে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে যাচ্ছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াতের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে ডা. শফিকুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ সময় ১১ দলীয় ঐক্যের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও তাঁর সঙ্গে থাকবেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি আজিমপুর কবরস্থানে গিয়ে ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন এবং তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করবেন।
রাষ্ট্রীয় প্রথা অনুযায়ী, একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি এবং পরে বিরোধীদলীয় নেতা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াত আমির।
এতদিন জামায়াত জাতীয় স্মৃতিসৌধ বা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচিতে অংশ নেয়নি। দলটি সাধারণত দোয়া, আলোচনা সভা ও সমাবেশের মাধ্যমে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করে এসেছে। ২০০১ সালে সরকারে অংশীদার থাকাকালে জামায়াতের মন্ত্রীরা একবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে, তবে শহীদ মিনারে যাননি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৬৮টি আসন পেয়ে সংসদের প্রধান বিরোধীদল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে জামায়াত। সেই হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান এখন মন্ত্রী পদমর্যাদাসম্পন্ন বিরোধীদলীয় নেতা।
দলটির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানিয়েছেন, ভাষা আন্দোলনে জামায়াতের ভূমিকা ছিল এবং ভাষা শহীদদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে ইসলামের বিধান অনুযায়ী কোনো প্রতীক বা স্থাপনার প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা জানানোর রীতি নেই—এই ব্যাখ্যায় এতদিন দলটি শহীদ মিনারে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ছিল। এবারও দলীয়ভাবে আগের অবস্থান বহাল থাকবে। তবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা শহীদ মিনারে যাবেন এবং পরে ইসলামী বিধান মেনে কবর জিয়ারত ও দোয়া করবেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংসদে প্রধান বিরোধীদল হিসেবে নতুন ভূমিকা নেওয়ার পর জামায়াতের এই পদক্ষেপ প্রতীকী দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এটি একদিকে রাষ্ট্রীয় প্রথা অনুসরণের বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে দলীয় অবস্থানও বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au