ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে শহরের বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন পল্লানকাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নিহতের স্বজনদের আহাজারি করতে দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টার দিকে পল্লানকাটা এলাকার একটি বাড়ির সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় গণেশ পালকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত গণেশ পাল কক্সবাজার শহরের পৌরসভা মার্কেটের একজন ব্যবসায়ী। তিনি সম্প্রতি পল্লানকাটা এলাকায় নতুন একটি বাড়ি নির্মাণ করছিলেন। তার ভাই আশীষ পাল জানান, শনিবার সকালেও গণেশ তার সঙ্গে দোকানে ছিলেন। পরে বাড়ির নির্মাণকাজ তদারক করতে তিনি পল্লানকাটা এলাকায় যান। সেখানে বাড়ির সেপটিক ট্যাংক বসানোর কাজ চলছিল।
আশীষ পাল অভিযোগ করেন, বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করার পর থেকে এলাকার কিছু যুবক রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে তার ভাইয়ের কাছে চাঁদা দাবি করছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, জিসান নামে এলাকার এক চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং তার সহযোগীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। অভিযুক্ত জিসান পল্লানকাটা এলাকার মোহাম্মদ জাকিরের ছেলে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জিসানের নেতৃত্বে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, জিসান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর রাজবিহারী দাশ এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দিনদুপুরে চাঁদার জন্য এভাবে একজন মানুষকে হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে চাঁদা না দেওয়ায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং ঘটনার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au