বিশ্ব

‘জনগণের চার্জশিট’ যেন মমতার প্রস্থানের প্রতীক

তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের ‘অপশাসন’ এর চিত্র তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

  • 2:08 pm - March 29, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪৯ বার

মেলবোর্ন, ২৯মার্চ- ‘জনগণের চার্জশিট’ নামে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের ‘অপশাসন’ এর চিত্র যে এভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তুলে ধরবেন, তা স্বপ্নেও ভাবেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রকাশিত ৩৫ পাতার এই চার্জশিটের প্রতিটি পাতা যেন তৃণমূল সরকারের একেকটি ‘কালো অধ্যায়’। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ যেন মমতার প্রস্থানের প্রতীক।

শনিবার কলকাতার নিউ টাউনের একটি হোটেলে মমতার শাসনকালের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন অমিত শাহ। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সভাপতি সৌমিক ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য নেতারা।

কী বললেন অমিত শাহ
চার্জশিট প্রকাশ করে  অমিত শাহ বলেন, ‘এই চার্জশিট নিয়ে তৃণমূল যতই বলুক, এটা বিজেপির চার্জশিট- আসলে এটা তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বাংলার জনগণের দেওয়া চার্জশিট। যেটার রূপ দিচ্ছে বিজেপি।’

১৫ বছরে তৃণমূল আমলে হওয়া বড় বড় দুর্নীতি, সন্ত্রাস, নারী সুরক্ষা, শিল্প থেকে স্বাস্থ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ ও মুসলিম তোষণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গোটা দেশের সুরক্ষা বাংলা নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত। বাংলার মানুষকেই বাছতে হবে, ভয়কে বেছে নিতে হবে নাকি ভরসাকে। গত ১৫ বছর ধরে ভয়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, বিভেদের রাজনীতি চলছে।’

পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সাল থেকে চলা সিন্ডিকেটরাজ ও অনুপ্রবেশ চলছে জানিয়ে অমিত শাহ জানান, মমতার সরকার অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেয়। এই সরকারের চেয়ে বরং বামেদের শাসন ভাল ছিল।

আলোচিত এই চার্জশিটে কি আছে?
চার্জশিট এর মলাটে অশান্ত পশ্চিমবঙ্গের ছবির পটভূমিকায় মমতাকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। বিজেপি একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘প্রস্থানের প্রতীক’ হিসেবে তুলে ধরেছে। এর পরের পাতায় যে ভূমিকা লেখা হয়েছে, সেখানে আছে রাজনৈতিক হিংসা, দুর্নীতি এবং জনবিন্যাস বদলকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই পাতায় মমতার পাশাপাশি অভিষেকের ছবিও রাখা হয়েছে। ছবি দু’টির চোখের অংশ লাল রঙে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। তার পরের পাতাগুলিতে একে একে তুলে ধরা হয়েছে বর্তমান শাসকদের ১৪টি বড় ধরনের ‘অপকীর্তি’। এসব মূল বিষয়ের মধ্যে আবার একগুচ্ছ ঘটনা বা উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে।

ব্যাপক দুর্নীতির চিত্র 
তৃণমূল সরকারের সময়ে হওয়া ব্যাপক আলোচিত সব দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-  ক) ১০ হাজার কোটি টাকার রেশন কেলেঙ্কারি। খ) স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় দুর্নীতির জেরে ২৬ হাজার যুবক-যুবতী কাজ হারিয়েছেন। গ) মহাত্মা গান্ধী গ্রামীণ রোজগার যোজনায় গরিবের প্রাপ্য লুট করতে ২৫ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড তৈরি করা। ঘ) প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গরিব মানুষকে পাকা ঘরের ব্যবস্থা করে দিতে বাড়ি পিছু ২৫ হাজার টাকা করে কাটমানি নেওয়া। ঙ) ৪০০ কোটি টাকার ডিয়ার লটারি দুর্নীতি। চ) স্কুলপড়ুয়াদের মিড-ডে মিল প্রকল্পে ভুয়ো খরচ দেখিয়ে ১০০ কোটি টাকা লুঠ। ছ) ১৭৫২০ কোটি টাকার রোজ়ভ্যালি চিট ফান্ড দুর্নীতি। জ) গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে ৩৪৩ কোটি টাকা লুট। ঝ) মালদহ জেলায় বন্যাত্রাণে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি। ঞ) আমফান সাইক্লোনের ত্রাণ থেকে ১০০০ কোটি টাকা চুরি এবং ট) মমতার প্রিয় অনুব্রত মণ্ডল দ্বারা গরু পাচার সিন্ডিকেট পরিচালনা।

প্রশাসনিক নৈরাজ্য ও অপশাসন
ক) ২০ লক্ষ সরকারি কর্মীকে মহার্ঘ ভাতা থেকে বঞ্চিত করা। খ) সপ্তম বেতন কমিশন চালু না-করা। গ) এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা। ঘ) সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি না-দিয়ে অনুপ্রবেশে সহায়তা। এছাড়াও বিরোধীমত দমনে পুলিশ থেকে শুরু করে রাজ্য প্রশাসনকে কিভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তাও তুলে ধরা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলার ধ্বংসস্তূপ
পশ্চিমবঙ্গে অপরাধের তথ্য সরকার না দিলেও চার্জশিটে আলোচিত কিছু ঘটনা ও উপাত্ত তুলে ধরা হয়। ক) জাতীয় ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘সঠিক তথ্য’ না-দেওয়া সত্ত্বেও মমতা জমানায় পশ্চিমবঙ্গে কতজনকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, কতজন খুন হয়েছেন, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সি কতজন নাবালিকা মাত্র এক বছরে অপহৃত হয়েছে, শিশুদের উপর হওয়া অপরাধমূলক নির্যাতনের সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গে কী ভাবে জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেক বেশি— সে সব তথ্য বিশদে তুলে ধরা হয়েছে। খ) ২০২১-’২২ অর্থবর্ষের সিএজি রিপোর্ট অনুযায়ী কী ভাবে কেন্দ্রের কাছ থেকে পাওয়া ২.২৯ লক্ষ কোটি টাকা খরচের হিসাব পশ্চিমবঙ্গ সরকার দেয়নি, কী ভাবে পাড়ায় পাড়ায় বোমা মেলে, কী ভাবে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত এড়িয়ে যাওয়া হয়, সে সবের বিশদে উল্লেখ করা হয়েছে।

গণতন্ত্রের উপরে হামলা
ক) ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ১১৪টি রাজনৈতিক খুন, ২০২১ সালে ভয়াবহ ভোট পরবর্তী হিংসা। খ) বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপরে হামলা, কয়েক’শ মামলা। গ) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাকে অপশাসনের যন্ত্রে পরিণত করার মতো ঘটনাগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

নারীর ওপর ভয়ঙ্কর সহিংসতা
নারী ও শিশুদের ওপর হওয়া ভয়ঙ্কর সব ঘটনা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ক) মহিলাদের বিরুদ্ধে ঘটা অপরাধের সংখ্যা ৩৫ হাজারের কাছাকাছি। দেশে পশ্চিমবঙ্গ চতুর্থ। খ) গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা প্রায় ২০ হাজার। জাতীয় গড়ের দ্বিগুণ। গ) গোটা দেশে ঘটা অ্যাসিড হামলার ২৭.৫ শতাংশই পশ্চিমবঙ্গে। ঘ) বিপুল সংখ্যক ঝুলে থাকা তদন্ত। ঙ) আরজি কর, সন্দেশখালি, কসবা ল কলেজের ঘটনা। চ) সালিশি সভা বসিয়ে মহিলাদের উপরে নির্যাতন। ছ) পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণ কাণ্ডকে আড়াল করার চেষ্টা। জ) হাঁসখালিতে ধর্ষিতাকেই দোষারোপ করা। ঝ) কামদুনি গণধর্ষণ কাণ্ড। ঞ) দুর্গাপুরে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পরে রাতে নির্যাতিতার বাইরে বেরোনো নিয়ে প্রশ্ন তোলা।

শিল্পের সমাধিক্ষেত্র
ক) জাতীয় জিডিপি-তে পশ্চিমবঙ্গের অংশীদারি প্রায় অর্ধেক হয়ে যাওয়া। খ) রাজ্যের মাথায় আট লক্ষ কোটি টাকার দেনা চাপানো। গ) রাজস্ব ঘাটতির ভয়াবহ ছবি। ঘ) বরাদ্দ হওয়া টাকা খরচ করতে না-পারা। ঙ) আর্থিক বৃদ্ধির বেহাল দশা, রাজ্যবাসীর মাথাপিছু আয় কমে যাওয়া। চ) প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ কমে যাওয়া। ছ) শিল্পবিরোধী আইন তৈরি করা। জ) সাড়ে ছ’হাজারেরও বেশি সংস্থার রাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়া। ঝ) কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিশাহীনতা। ঞ) স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণদের প্রায় অর্ধেকেরই কর্মসংস্থান না-হওয়া। ট) কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা।

কৃষির দুর্দশা
ক) ৪৭ শতাংশ কৃষিজমিতে সেচের সুবিধা না-থাকা। খ) আলুচাষিদের আত্মহত্যা। গ) ১০০ কোটি টাকার সার ও বীজ কেলেঙ্কারি। ঘ) ধান উৎপাদনে প্রথম স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে নেমে যাওয়া। ঙ) মৎস্যজীবীদের প্রাপ্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা গায়েব করে দেওয়া। চ) ডেয়ারি ক্ষেত্রের দিকে কোনও নজর না-দেওয়া।

স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্কট
ক) রাজ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিদারুণ অভাব। খ) বাজেটে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বরাদ্দ না-বাড়ানো। গ) সরকারি হাসপাতালের সংখ্যা বৃদ্ধির বদলে কমে যাওয়া। ঘ) আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করতে না-দেওয়া। ঙ) রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প রাজ্যেরই অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালে অকেজো।

শিক্ষার সর্বনাশ
ক) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি। খ) পাঠ্যক্রমের আধুনিকীকরণ না-করা। গ) লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া সরকারি স্কুল ছেড়ে বেসরকারি স্কুলমুখী। ঘ) ৩৮০০-র বেশি স্কুল এমন, যেখানে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক রয়েছেন, কিন্তু ছাত্র বিরল। ঙ) কলকাতা এবং যাদবপুরের মতো নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মানের অবনমন। চ) কেন্দ্র বিপুল টাকা দেওয়া সত্ত্বেও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মানোন্নয়নে রাজ্যের অনীহা।

জনবিন্যাস বদলে সংস্কৃতিকে ধ্বংস
ক) জনবিন্যাসে দ্রুত পরিবর্তন পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতিকে বদলে দিচ্ছে। খ) ওবিসি তালিকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৭৫টি শ্রেণিকে বেআইনি ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। গ) বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি। ঘ) ওয়াকফ সম্পত্তি যাচাই করতে গিয়ে বড় সংখ্যায় জালিয়াতি ধরা পড়ছে। ঙ) চিকেন’স নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা হচ্ছে। চ) আম এবং রেশমের পরম্পরা ধ্বংস। ছ) পাঠ্যবইয়ে বাংলা শব্দ বদলে দেওয়া হচ্ছে। যেমন, রামধনুকে রংধনু করা হয়েছে। জ) মতুয়া সমাজকে অপমান করা হয়েছে। ঝ) দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারী রাষ্ট্রপতিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অপমান করেছে। ঞ) ওয়াকফ আইন পাশ হওয়ার পরে পশ্চিমবঙ্গের নানা প্রান্তে হিংসা উস্কে দেওয়া হয়েছে।

চা বাগান শ্রমিকদের বঞ্চনা
ক) মজুরি এবং বোনাস নিয়ে স্বচ্ছ নীতির অভাবে ২৫টি চা বাগান বন্ধ হয়েছে। খ) চা বাগান শ্রমিকেরা প্রভিডেন্ড ফান্ডের সুবিধা থেকে এখনও বঞ্চিত। গ) চা-পর্যটনের নামে চালু চা বাগানের ক্ষতি করা হচ্ছে। ঘ) চা বাগানে, ডুয়ার্সের জঙ্গলে, হাতির যাতায়তের পথে প্রভাবশালীরা রিসর্ট বানাচ্ছেন।

উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা
উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে নজর না-দেওয়া এবং সেখানকার পরিকাঠামো উন্নয়নে কিছুই না-করার অভিযোগ বিশদ খতিয়ান-সহ তুলে ধরা হয়েছে।

সিন্ডিকেটের খোলা ময়দান রাঢ়বঙ্গ
ক) রাঢ়বঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়লা এবং বালির মতো প্রাকৃতিক সম্পদকে অবাধে লুট করা হচ্ছে। খ) আদিবাসীদের উচ্ছেদ করে ডেউচা-পাঁচামিতে কয়লাখনি। গ) পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় প্রবল জলকষ্ট সত্ত্বেও কেন্দ্রের জলজীবন মিশন চালু হতে না-দেওয়া।

ক্ষয়িষ্ণু কলকাতা
ক) কলকাতার উন্নয়ন রাজনৈতিক কারণে আটকে রাখা, মেট্রো প্রকল্প এগোতে না-দেওয়া। খ) অজস্র বেআইনি নির্মাণে প্রশ্রয় দিয়ে শহরকে বিপজ্জনক করে তোলা হয়েছে। গ) কলকাতা লাগোয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে বিপুল সংখ্যায় নাবালিকা ও শিশুপাচার।

রাজনৈকিত বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজেপির দেওয়া চার্জশিটে যেসব বিষয় উঠে এসেছে, তার একটিও হালকা বিষয় নয়। তৃণমূলের পক্ষে অস্বীকার উপায় নেই- এসব ঘটনা মিথ্যা। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে এর মাধ্যমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইতি ঘটবে। এটা তার প্রস্থানের প্রতীকও হতে পারে।

এই শাখার আরও খবর

জ্বালানি সংকটে ট্রাম্পকে দায়ী করছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ মানুষ: জরিপ

মেলবোর্ন, ৩০ মার্চ- নতুন এক জরিপে উঠে এসেছে, জ্বালানি সংকটের জন্য অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই দায়ী করছেন। দ্য অস্ট্রেলিয়ান ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউ, রেডব্রিজ…

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, স্থল অভিযানের আশঙ্কায় প্রস্তুত ইরান

মেলবোর্ন, ৩০ মার্চ- ইরান জানিয়েছে, সম্ভাব্য স্থল অভিযান মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন…

হরমুজ প্রণালির পূর্ব দিকে ছোড়া ড্রোন প্রতিহত’ করার দাবি ইরানি বাহিনীর

মেলবোর্ন, ৩০ মার্চ- হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলে একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। রোববার দেশটির সামরিক বাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে এ তথ্য…

ইরানের হামলায় সৌদি আরবের বিমান ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান ধ্বংস

মেলবোর্ন, ৩০ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় একটি মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংস হওয়ার দাবি উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে…

ইসরায়েলি হামলায় নিহত তিন সাংবাদিকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় শত শত মানুষ

মেলবোর্ন, ৩০ মার্চ- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত তিন সাংবাদিকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় বৈরুতে শত শত মানুষ অংশ নিয়ে শোক ও প্রতিবাদ জানায়। রোববার স্থানীয় সময়…

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আমেরিকা জুড়ে বিক্ষোভ

মেলবোর্ন, ৩০ মার্চ-  যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর বিরুদ্ধে এবং ইরান যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে জনপথ। ‘নো কিংস’ নামে আয়োজিত এসব র‍্যালিতে ওয়াশিংটন…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au