নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ২ এপ্রিল- দারুণ নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। মালদ্বীপের রাজধানী মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে…
মেলবোর্ন, ১ এপ্রিল- দীর্ঘ ৫৩ বছর পর আবারও চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে মানুষ। নাসা আজ (১ এপ্রিল) তাদের নতুন মানববাহী চন্দ্রাভিযান কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বাস্তবায়নে প্রস্তুত, যা মহাকাশ গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১৯৭২ সালে অ্যাপোলো-১৭ মিশনের পর থেকে আর কোনো মানুষ চাঁদে যায়নি। সেই সময় চাঁদে পানির উপস্থিতি না থাকার ধারণার কারণে মানববাহী চন্দ্রাভিযান দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় চাঁদের মেরু অঞ্চলে বরফ আকারে পানির অস্তিত্বের সম্ভাবনা নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে।
নাসার বর্তমান পরিকল্পনা আর্টেমিস প্রোগ্রাম তিন ধাপে পরিচালিত হচ্ছে। এর দ্বিতীয় ধাপ আর্টেমিস ২-এ মহাকাশচারীরা চাঁদের কক্ষপথের কাছাকাছি গিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। পরবর্তী ধাপ আর্টেমিস ৩-এ মানুষের চাঁদে অবতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।
উৎক্ষেপণ হবে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে, যুক্তরাষ্ট্রের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে। বাংলাদেশ সময় ২ এপ্রিল ভোর ৪টা ২৪ মিনিট । মিশনের লাইভ সম্প্রচার দেখা যাবে নাসার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল ও ওয়েবসাইটে।
এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন চার মহাকাশচারী-রেইড ওয়াসম্যান (কমান্ডার), ভিক্টর গ্লোভার (পাইলট), ক্রিস্টিনা কোচ (অভিযান বিশেষজ্ঞ) এবং জেরেমি হ্যানসেন (কানাডার প্রতিনিধি)।
মিশনে ব্যবহৃত ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্ট মহাকাশযানটি গভীর মহাকাশে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপদ ভ্রমণের জন্য তৈরি। এতে উন্নত জীবনরক্ষা ব্যবস্থা, বিকিরণ সুরক্ষা এবং স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিশনের মাধ্যমে চাঁদে স্থায়ী মানব উপস্থিতি গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত হবে, যা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক মহাকাশ প্রতিযোগিতায় নতুন গতি আনবে, যেখানে চীন ও রাশিয়া ইতোমধ্যে নিজেদের পরিকল্পনা জোরদার করছে।
সব মিলিয়ে, এই অভিযান মানবজাতির মহাকাশ যাত্রার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au