মহামন্দার কবলে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব, আইএমএফের সতর্কতা
মেলবোর্ন, ১৫ এপ্রিল- ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল…
মেলবোর্ন, ১৪ এপ্রিল- ভারতের বিহার রাজনীতিতে দীর্ঘ দুই দশকের এক অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জনতা দল (ইউনাইটেড) প্রধান নীতীশ কুমার। মঙ্গলবার তিনি রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন, যার মধ্য দিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে।
পদত্যাগের আগে নীতীশ কুমার মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করেন বলে জানা গেছে। রাজ্যের মন্ত্রী রাম কৃপাল যাদব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিহারের প্রশাসনিক নেতৃত্বে থাকা নীতীশ কুমারের এই সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে তিনি রাজনীতি থেকে সরে যাচ্ছেন না। ইতোমধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে শপথ নিয়েছেন তিনি। ফলে জাতীয় রাজনীতিতে তার সক্রিয় উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে ২৪৩ সদস্যের বিহার বিধানসভায় বিজেপি ৮৯ জন বিধায়ক নিয়ে একক বৃহত্তম দল। জেডিইউয়ের রয়েছে ৮৫ জন সদস্য। এছাড়া লোক জনশক্তি পার্টি, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা ও রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চাসহ অন্যান্য শরিকদের নিয়ে এনডিএ জোটের মোট শক্তি দাঁড়িয়েছে ২০২ জন বিধায়ক, যা সরকার গঠনে সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নির্দেশ করে।
নীতীশ কুমারের পদত্যাগের পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কে হবেন বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি তাদের পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচন করতে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নতুন নেতৃত্ব আসার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নীতীশ কুমারের এই পদক্ষেপ শুধু বিহার নয়, দিল্লির জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই নেতার রাজ্যসভায় সক্রিয়তা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au