দরজায় কড়া নাড়ছিলেন মা, ভেতরে খুন করা হচ্ছিল শিশু রামিসাকে
মেলবোর্ন, ২০ মে- রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে,…
মেলবোর্ন, ২০ মে- বয়স যে শিক্ষার পথে বাধা হতে পারে না, তার অনন্য দৃষ্টান্ত গড়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশের জালাউন জেলা। সেখানে ৬০ থেকে ৭৮ বছর বয়সী নয়জন প্রবীণ নাগরিক আবারও স্কুলের বেঞ্চে ফিরেছেন সাক্ষরতার আলো ছড়িয়ে দিতে।
স্থানীয় প্রশাসনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে প্রবীণ এসব নারী-পুরুষকে প্রাথমিক ও জুনিয়র হাই স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার ইউনিফর্ম পরে স্কুলে পৌঁছালে তাদের ফুলের মালা ও করতালির মাধ্যমে স্বাগত জানান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জালাউনের মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট ও আইএএস কর্মকর্তা রিঙ্কু সিং রাহির উদ্যোগে এ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো, দীর্ঘদিন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত থাকা প্রবীণদের সাক্ষর করে তোলা এবং সমাজে শিক্ষার গুরুত্ব আরও বিস্তৃত করা।
সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জ্ঞান প্রকাশ অবস্থি জানিয়েছেন, মোট সাতজন পুরুষ ও দুইজন নারীকে স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন দেবী দীন (৬০), মিশ্রীলাল (৬৫), বংশ গোপাল (৭২), ভুলাই (৭০), কিরণ (৬০), টিকারাম (৬৯) এবং রাম মূর্তি (৬৬)। অন্যদিকে জুনিয়র হাই স্কুলে ভর্তি হয়েছেন কালকা (৭৮) ও রাজদুলাইয়া (৭৮)।
বিদ্যালয়ে প্রবেশের পর প্রবীণ শিক্ষার্থীরা শিশুদের পাশে বসে পাঠ গ্রহণ করেন। এ দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে এই উদ্যোগকে মানবিক ও অনুপ্রেরণাদায়ী বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, নিরক্ষর প্রবীণদের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু সাক্ষরতা বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি প্রমাণ করেছে যে শেখার জন্য বয়স কখনোই বাধা হতে পারে না।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au