আগামী মাসে জি৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন ট্রাম্প
মেলবোর্ন, ২০ মে- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী মাসে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জি৭ সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। আগামী ১৫ থেকে…
মেলবোর্ন, ২০ মে- কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে লালমনিরহাটের তিস্তা টোল প্লাজার দায়িত্বরত কর্মীদের বিরুদ্ধে। পুলিশের উসকানিতেই এই হামলা হয় বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ও কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মঙ্গলবার(১৯ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিস্তা ব্রিজপাড়ের টোল প্লাজায় এ ঘটনা ঘটে। দিনাজপুরে ফিল্ড ট্রিপ শেষে ফেরার পথে দুটি বাসে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল বাকি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িগুলো টোল প্রদান করে না। এর আগেও আমরা টোল ছাড়া যাতায়াতের সুবিধা পেয়েছি। আজকেও টোল কর্মীদের সেটা বলার পরেও আমাদের গাড়ি আটকে দেয়া হয়। আরেকটি গাড়ি থেকে আমাদের বিভাগের আব্দুর রাজ্জাক স্যার নেমে এসে টোল পরিশোধ করেন। গাড়ি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকায় সেখানের দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য এসে এক স্যারের সাথে বাগ্বিতণ্ডা শুরু করে। স্যারের সাথে বাগবিতণ্ডা চলার সময় আমাদের থেকে স্যারকে একটু দূরে সরে নিয়ে গেলে ঐ সময়েই টোল প্লাজার কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়।সেসময় আমরা পুলিশের সহায়তা পাইনি।
হামলায় আহত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, একজন পুলিশ সদস্য আমার সাথে বাজে ব্যবহার করছিলেন। আমার গায়ে ধাক্কাও দিয়েছিলেন ও আঙুল তুলে কথাও বলছিলেন। আমি সেটার প্রতিবাদ করতেছিলাম। পেছনে ফিরে দেখি আমার ছাত্রদের ওপর এলোপাথাড়ি হামলা হচ্ছে। আমি তাদের দ্রুত উদ্ধার করে বাসে তুলে দিয়ে গিয়ে হামলাকারীদের হাতে আটকা পড়ি এবং আমিও হামলার শিকার হই। কিছুক্ষণ আমাকে আটকে রাখার পর শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এই সময় আমার গায়ের পোষাক ছিঁড়ে যায়। সেই সময় আশেপাশে আমি পুলিশদের দেখিনি। সেখান থেকে এসে আমরা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি হই।

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবিঃ সংগৃহীত
এই ঘটনায় অন্তত ৮ জন শিক্ষার্থী আহত হলে ৫ জনকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের ভর্তি করানো হয় এবং ৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হোস্টেলে পাঠানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জানান, পুলিশ যদি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করত, তাহলে আমাদের ওপর হামলা হতো না। মূলত পুলিশের আচরণের কারণে টোল প্লাজার কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা করতে সাহস পেয়েছে।
লালমনিহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাদ আহমেদ পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ উসকানি দিয়েছে কথাটি সঠিক নয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দূরে ছিল এবং সংঘর্ষ বাধলে তা থামানোর জন্য পুলিশ এগিয়ে আসে। এই ঘটনায় বুধবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি বলেও জানান তিনি।
তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au