৬ ঘণ্টার চেষ্টায় কঠোর নিরাপত্তায় অভিযুক্তকে নিয়ে গেল পুলিশ
মেলবোর্ন, ২২ মে- চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তকে…
মেলবোর্ন, ২১ মে- প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ ইবোলার টিকা বাজারে আসতে আরও অন্তত ৯ মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. ভাসি মূর্তি বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন।
জেনেভায় ডব্লিউএইচও সদরদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইবোলা ভাইরাসের বুন্ডিবুগিও প্রজাতির বিস্তার ঠেকাতে বর্তমানে দুটি সম্ভাব্য টিকা তৈরির কাজ চলছে। তবে সেগুলো এখনো ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ে পৌঁছায়নি। টিকা প্রস্তুত এবং মানবদেহে পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে অন্তত ৯ মাস সময় লাগতে পারে।
ড. ভাসি মূর্তি বলেন, ইবোলার এই ধরনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। ফলে গবেষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দ্রুত কার্যকর টিকা উদ্ভাবনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে নিরাপদ ও কার্যকর টিকা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ না করে বাজারে আনা সম্ভব নয়।
এরই মধ্যে মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলার ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গত ১৭ মে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। যদিও সংস্থাটি জানিয়েছে, এখনো এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক মহামারির পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানান, কঙ্গোতে এ পর্যন্ত ইবোলার উপসর্গ নিয়ে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ৬০০ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।
বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে ড. ভাসি মূর্তি জানান, উপসর্গ দেখা দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৫১ জনের শরীরে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশ উগান্ডাতেও দু’জন আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কঙ্গোতে শনাক্ত হওয়া ৫১ জন আক্রান্তের সবাই দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি ও উত্তর কিভু প্রদেশের বাসিন্দা। অন্যদিকে উগান্ডায় আক্রান্ত দুই ব্যক্তি রাজধানী কামপালার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইবোলা অত্যন্ত প্রাণঘাতী একটি ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থের সংস্পর্শে এ রোগ ছড়ায়। জ্বর, বমি, ডায়রিয়া, রক্তক্ষরণসহ নানা জটিল উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমানে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, আক্রান্তদের আলাদা রাখা, সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণ এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য টিকা উদ্ভাবনের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au