৬ ঘণ্টার চেষ্টায় কঠোর নিরাপত্তায় অভিযুক্তকে নিয়ে গেল পুলিশ
মেলবোর্ন, ২২ মে- চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তকে…
মেলবোর্ন, ২১ মে- রাজধানীর দনিয়ায় ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবিকুন নাহার নামের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। অভিযোগ উঠেছে ঘটনার দিনে স্কুলের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন ওই ছাত্রীকে পরীক্ষার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে গালিগালাজ করেন এবং তার মাকে স্কুলে ডেকে পাঠান।
এর জেরে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে দাবি করে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান লিটনের বিচার দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা স্কুলের প্রবেশপথে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ প্রতিবেদন লেখার সময়েও সেখানে বিক্ষোভ চলছিল।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বুধবার (২০ মে) স্কুলের পরীক্ষার কক্ষ থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রী সাবিকুন নাহারকে ডেকে নেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন। এসময় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন তিনি। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে ক্লাসে না ফিরে বাসায় চলে যায় সাবিকুন নাহার।
এরপর ওই ভুক্তভোগী ছাত্রীর মাকে মোবাইল ফোনে কল করে স্কুলে যেতে বলা হয়। এ ঘটনায় তার মা বিরক্ত হয়ে মেয়েকে বকাঝকা করেন। পরে বিকেলে দনিয়ার নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সাবিকুন নাহার।
সাবিকুন নাহারের সহপাঠী এক ছাত্রী বলেন, তার বান্ধবী পরীক্ষায় নকলও করেনি, কাউকে দেখেও লিখছিল না। অকারণে তাকে চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন ডেকে নিয়ে গালিগালাজ করে। একটা মেয়েকে এভাবে বললে লজ্জায় তার আর বেঁচে থাকতে ইচ্ছে হবে না।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরেক ছাত্র বলেন, ‘চেয়ারম্যান লিটন মেয়েদের টিজ (উত্ত্যক্ত) করেন। তার কথামতো না চললে কারণে অকারণে ডেকে নিয়ে বকাঝকা ও গালিগালাজ করেন। টিসি দিয়ে দেওয়ার ভয় দেখান। আমরা লিটনের এ অত্যাচার আর মানবো না। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মঈদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সহপাঠী আত্মহত্যা করায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ ছিল। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করছি।’
সাবিকুন নাহারের বাবার নাম খলিলুর রহমান। তাদের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। পরিবারের সঙ্গে দনিয়ার নাসির উদ্দীন সড়কের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন সাবিকুন নাহার।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘গতকাল ওই শিক্ষার্থী নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করে। প্রাথমিকভাবে আমরা জেনেছিলাম, মায়ের ওপর অভিমান করে সে গলায় ফাঁস নিয়েছে। সেজন্য পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত করা হয়নি। শুধু মরদেহের সুরতহাল করা হয়। আজকে শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে বিক্ষোভ করছে বলে জেনেছি। পরিবার ও সহপাঠীরা কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে দেখা হবে।’
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au