আমরা প্রেমে ছিলাম কি না,কেউ জানতে চায়নি: পরীমনি
মেলবোর্ন, ২০ জুন- ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে চিত্রনায়িকা…
মেলবোর্ন, ২০ জুন- দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি প্রাদুর্ভাবে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭০ জনে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শুক্রবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগে দুইজন এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৩ শিশু। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৬৭০-এ পৌঁছেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৭২ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগে, যার সংখ্যা ৩৬১। এরপর চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৬ এবং বরিশাল বিভাগে ১৩২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
তবে একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮৯৩ জন রোগী, যা কিছুটা স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটেছে। গত ৯৬ দিনে সারা দেশে ৯০ হাজার ৯৮২ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এদের মধ্যে ৭৫ হাজার ১৫৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
এ পর্যন্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ১০ হাজার ৮৬৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ৭১ হাজার ৩৯৬ জন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে হাম সংক্রমণ রোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা, আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি এখন সবচেয়ে জরুরি। তারা অভিভাবকদের শিশুদের টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, র্যাশ বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার না করা হলে পরিস্থিতি আগামী দিনগুলোতে আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au