নিজেদের স্বার্থেই রাশিয়ার তেল কেনে ভারত: রুশ রাষ্ট্রদূত
রাশিয়ার তেল ভারত নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের কথা বিবেচনা করেই কেনে, রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থায়নে সহায়তা করার জন্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতে…
মেলবোর্ন, ২২ জুন- নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলামের ছেলে ও জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাঁর বিরুদ্ধে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি, পণ্যবাহী যানবাহন আটকে অর্থ আদায় এবং ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় রোববার দুপুরে রাজধানী থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহযোগিতায় সজীবকে হেফাজতে নেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে তাঁকে ঢাকার মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী সোমবার গণমাধ্যমকে জানান, সজীবের বিরুদ্ধে উত্থাপিত কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, বিএনপি সরকার গঠনের পর একটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর পণ্যবাহী গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠে সজীবের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছালে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার বাইরে আরও কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ আদায়, পণ্য পরিবহনে বাধা সৃষ্টি এবং ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, সিদ্ধিরগঞ্জ, সোনারগাঁও ও কাঁচপুর এলাকার বিভিন্ন কারখানার মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দাবি অনুযায়ী অর্থ না দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পণ্যবাহী ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন আটকে রাখা হতো।
এদিকে হেফাজতে নেওয়ার পরই সজীবের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে যুবদল। সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নানা অনিয়ম ও অভিযোগে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও শিল্পমহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগগুলোর তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au