ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৭
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও…
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত এক নির্ভুল বিমান হামলায় জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর শীর্ষ নেতা আলী হুসাইন আল-উলাইউই নিহত হয়েছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ জুন সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নির্দিষ্ট স্থানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিমান হামলাটি চালানো হয়। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল আইএসের জ্যেষ্ঠ নেতা আলী হুসাইন আল-উলাইউই, যিনি সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আলী হুসাইন আল-উলাইউই দীর্ঘদিন ধরে আইএসের কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিশেষ করে বিদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গিয়েছিল।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল আইএসের নেতৃত্ব কাঠামো দুর্বল করা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে ভেঙে দেওয়া।
মার্কিন বাহিনী দাবি করেছে, অত্যন্ত পরিকল্পিত ও নির্ভুলভাবে পরিচালিত এই অভিযানে লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে এবং আইএসের গুরুত্বপূর্ণ এক নেতাকে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তবে হামলায় অন্য কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সেন্টকম আরও জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের পুনরুত্থান ঠেকাতে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র তার অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিত অভিযান অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে আইএস, আল-কায়েদা ও অন্যান্য উগ্রপন্থি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামরিক অভিযান জোরদার করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইএসের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটা দুর্বল হলেও সিরিয়া ও ইরাকের কিছু অঞ্চলে সংগঠনটির বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে। ফলে শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে পরিচালিত এ ধরনের অভিযান সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে দুর্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মার্কিন প্রশাসন বলছে, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজন হলে একই ধরনের লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানো হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au