‘খেলা চালিয়ে যাও’, অবসর নেওয়া নেইমারকে বাবার আবেগঘন আহ্বান
মেলবোর্ন, ৮ জুলাই- আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। তবে তাঁর এই সিদ্ধান্ত সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না বাবা নেইমার সিনিয়র।…
মেলবোর্ন, ৭ জুলাই- খুলনার আড়ংঘাটা এলাকায় এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর পায়ে শিকল বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের পর রোববার (৫ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত শিক্ষককে শলুয়া হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদরাসা থেকে আটক করা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, নির্যাতনের শিকার মো. মিরাজুল ইসলাম (১০)-কে তার দিনমজুর বাবা-মা হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে ওই মাদরাসায় ভর্তি করেছিলেন। কিন্তু পড়াশোনার পরিবর্তে মাদরাসার মুহতামিম বা প্রধান শিক্ষক তাকে ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতেন। গরু-ছাগল চরানোসহ নানা কাজ করাতে বাধ্য করা হতো। এসব কাজে আপত্তি জানালে তাকে নিয়মিত মারধর ও বিভিন্ন ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে হতো।
শিশুটির মা রত্না বেগম জানান, নির্যাতনের কারণে মিরাজুল প্রায়ই মাদরাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে চলে আসত এবং সেখানে আর থাকতে চাইত না। সম্প্রতি ছেলের মালপত্র ফিরিয়ে আনার জন্য তার নানীকে মাদরাসায় পাঠানো হলে শিক্ষক তাকে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে আবার মাদরাসায় রেখে দেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, নানী চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মিরাজুলকে একটি কক্ষে আটকে মারধর করা হয়। পরে তার পায়ে শিকল বেঁধে শিকলের অপর প্রান্তে একটি ভারী মুগুর ঝুলিয়ে রাখা হয়, যাতে সে নড়াচড়া করতে না পারে।
এ সময় বাইরে থাকা এক ব্যক্তি জানালা দিয়ে শিশুটির দুরবস্থা দেখতে পেয়ে তাকে পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে প্রস্রাব করার কথা বলে কক্ষ থেকে বের হওয়ার সুযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তির সহায়তায় মাদরাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি ফিরে আসে মিরাজুল। এরপর সে পুরো ঘটনার বর্ণনা মায়ের কাছে জানায়।
ঘটনার পর রত্না বেগম আড়ংঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা মো. আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত চলছে এবং নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে শিশুটির পরিবার অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। ঘটনাটি শিশুদের নিরাপত্তা এবং আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তদারকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au