‘খেলা চালিয়ে যাও’, অবসর নেওয়া নেইমারকে বাবার আবেগঘন আহ্বান
মেলবোর্ন, ৮ জুলাই- আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। তবে তাঁর এই সিদ্ধান্ত সহজভাবে মেনে নিতে পারছেন না বাবা নেইমার সিনিয়র।…
মেলবোর্ন, ৭ জুলাই- বাংলাদেশে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর আদলে একটি উগ্রবাদী সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সংগঠনটির কার্যক্রম, অর্থায়ন, দেশি-বিদেশি যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস) নামে পরিচিত সংগঠনটি শরিয়াভিত্তিক মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। তাদের কার্যক্রম মূলত খুলনা ও যশোর অঞ্চলে বিস্তৃত থাকলেও সম্প্রতি রাজধানীতেও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই সংগঠনের কয়েকজন নেতা ও প্রশিক্ষক ঢাকায় এসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন।
গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনের প্রধান প্রশিক্ষক শাহ আমানত সাবির। এছাড়া হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান এবং বায়েজিতকে আটক করা হয়েছে। তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সংগঠনটির দেশি-বিদেশি যোগাযোগ, অর্থের উৎস, সদস্য সংগ্রহের কৌশল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী মতাদর্শ প্রচারের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা আরও যাচাই করছেন, এর আগে টিটিপির মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে এফসিএসের কোনো যোগাযোগ ছিল কি না।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, সংগঠনটির সদস্যরা স্থানীয় পর্যায়ে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গোপনে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উগ্রবাদী বক্তব্য ও প্রচারসামগ্রী ছড়িয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বাছাই করত। পরে তাদের আরও বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজু বলেন, সংগঠনটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান করছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হবে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সমর্থনে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণাও নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au