মুক্তিপণ নিতে এসে আটক এনসিপির দুই নেতা, ছাড়াতে গিয়ে গ্রেপ্তার আরও তিন
মেলবোর্ন, ৯ জুলাই- দিনাজপুরে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির একটি ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতাসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, অপহৃত এক ব্যক্তির…
মেলবোর্ন, ৮ জুলাই-চচলতি বছরের শুরু থেকে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে সংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। তবে সামগ্রিকভাবে গত দুই বছরের একই সময়ের তুলনায় ইতালিমুখী অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে দেশটির উপকূলে পৌঁছেছেন মোট ১৪ হাজার ৬২৩ জন অভিবাসী। এর মধ্যে ৪ হাজার ৩১৪ জনই বাংলাদেশি, যা মোট আগমনকারীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক অভিবাসী এসেছেন সোমালিয়া থেকে। দেশটি থেকে এ সময়ে ইতালিতে পৌঁছেছেন ১ হাজার ৭০২ জন। এছাড়া সুদান থেকে ১ হাজার ৩৭১ জন, পাকিস্তান থেকে ১ হাজার ১৮৫ জন, আলজেরিয়া থেকে ১ হাজার ১০৬ জন এবং মিশর থেকে ৯৩৬ জন অভিবাসী ইতালির উপকূলে পৌঁছেছেন।
এ তালিকায় আরও রয়েছে ইরিত্রিয়া, তিউনিসিয়া, মালি, নাইজেরিয়া, আইভরি কোস্ট, ইথিওপিয়া, ইরান, দক্ষিণ সুদান ও গিনির নাগরিকরা। এছাড়া পরিচয় শনাক্তকরণের প্রক্রিয়ায় থাকা বিভিন্ন দেশের আরও ১ হাজার ১৬৩ জন অভিবাসীকে পৃথকভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশিদের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন পাকিস্তানি নাগরিকরা। অন্যদিকে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর অধিকাংশই আফ্রিকা মহাদেশের, যা ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন প্রবণতায় আফ্রিকান দেশগুলোর ধারাবাহিক উপস্থিতির চিত্রও তুলে ধরছে।
তবে মোট অভিবাসীর সংখ্যা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চলতি বছর ইতালিতে অনিয়মিত সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে পৌঁছানো মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৫ সালের একই সময়ে ইতালিতে পৌঁছেছিলেন ৩১ হাজার ৪৩০ জন অভিবাসী। আর ২০২৪ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার ৬৬৪ জন। সে তুলনায় ২০২৬ সালে আগমন কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৬২৩ জনে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের আগমন ২০২৫ সালের তুলনায় প্রায় ৫৩ শতাংশ এবং ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ কম। মাসভিত্তিক তথ্যেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রতিটি মাসেই আগমনকারীর সংখ্যা আগের দুই বছরের একই সময়ের তুলনায় কম ছিল।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিবাসীদের পরিচয় যাচাই ও নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান থাকায় প্রাথমিক এই পরিসংখ্যানে পরবর্তী সময়ে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে। তবে বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশিরাই সবচেয়ে বড় অংশ গঠন করেছেন।
তথ্যসূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au