মিটার-সংযোগ ছাড়াই গ্রাহকের নামে এলো ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল
জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যুতের নতুন মিটার স্থাপন কিংবা সংযোগ দেওয়ার আগেই এক গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিল তৈরি হয়েছে। আগস্ট মাসের ওই বিল দেখে বিস্মিত হয়েছেন…
মেলবোর্ন, ৮ জুলাই- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিন দিনের সরকারি সফরে বুধবার রাতে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার তৃতীয় অস্ট্রেলিয়া সফর। এই সফরে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সফরের শুরুতেই মেলবোর্ন বিমানবন্দরে নরেন্দ্র মোদিকে অস্ট্রেলিয়া সরকারের প্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাবেন। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবেনিজের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় দুই নেতা বার্ষিক অস্ট্রেলিয়া-ভারত শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন।
সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে নরেন্দ্র মোদি অস্ট্রেলিয়া-ভারত অর্থনৈতিক রোডম্যাপ বিষয়ক ব্যবসায়িক সংবর্ধনায় অংশ নেবেন। এছাড়া ভিক্টোরিয়া গভর্নমেন্ট হাউসে তাকে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা দেওয়া হবে। অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর-জেনারেল স্যাম মোস্টিনের সঙ্গেও তার সৌজন্য সাক্ষাৎ নির্ধারিত রয়েছে।
সফরের অন্যতম আকর্ষণ হবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেলবোর্নের মার্ভেল স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘মেলবোর্ন মিটস মোদি’ অনুষ্ঠান। সেখানে হাজারো ভারতীয় বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন নরেন্দ্র মোদি ও অ্যান্থনি আলবেনিজ।
শুক্রবার সফরের শেষ দিনে নরেন্দ্র মোদি ও অ্যান্থনি আলবেনিজ মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড পরিদর্শন করবেন। সেখানে তারা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল লিগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর বিকেলে নরেন্দ্র মোদি অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে। আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, আধুনিক প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের বিষয় গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী নেতাদের অংশগ্রহণে একটি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের ফোরামও অনুষ্ঠিত হবে।
অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সফরকে ঘিরে বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকির তথ্য নেই। তবুও সরকারি অনুষ্ঠানস্থলগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলবে।
অন্যদিকে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবাধিকার ও সংখ্যালঘু নীতি নিয়ে সমালোচনাকারী কয়েকটি সংগঠন সফর চলাকালে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে। ফলে কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক গুরুত্বের পাশাপাশি এই সফর রাজনৈতিকভাবেও ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এবারের শীর্ষ বৈঠক থেকে নতুন সমঝোতা, বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং কৌশলগত সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au