মুক্তিপণ নিতে এসে আটক এনসিপির দুই নেতা, ছাড়াতে গিয়ে গ্রেপ্তার আরও তিন
মেলবোর্ন, ৯ জুলাই- দিনাজপুরে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির একটি ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতাসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, অপহৃত এক ব্যক্তির…
মেলবোর্ন, ৮ জুলাই- নালাপের অডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে খারকিভ অঞ্চলে পথ হারিয়ে ফেলা দুই বাংলাদেশির বিষয়ে আলোচনা করতে শোনা যায়।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান গোয়েন্দা অধিদপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, রুশ সেনাদের একটি টেলিফোন কথোপকথন আড়ি পেতে শোনার মাধ্যমে তারা এ তথ্য পেয়েছে। প্রকাশিত ওই কথোপকথনে এক রুশ সেনাকে বলতে শোনা যায়, তিনি বাংলাদেশ থেকে আসা দুই ‘বিদেশি ভাড়াটে সেনাকে’ খুঁজে পেয়েছেন। তারা ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান হারিয়ে ফেলেছিলেন।
গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, ফোনালাপে সংশ্লিষ্ট রুশ সেনা স্বীকার করেন যে ওই দুই বাংলাদেশি যোদ্ধার কল সাইন, অর্থাৎ সামরিক যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ সংকেত কিংবা তাদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না।
তবে কথোপকথনে ওই সেনাকে দুই বাংলাদেশির নাম উল্লেখ করতে শোনা যায়। তিনি তাঁদের নাম ‘রুবি’ ও ‘মইসেল’ বলে উল্লেখ করেন। যদিও এই নামগুলো প্রকৃত পরিচয়, নাকি যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছদ্মনাম, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা।
ফোনালাপ অনুযায়ী, ওই দুই বাংলাদেশি যোদ্ধা রুশ সেনাকে একটি প্রতীকের ছবি দেখিয়েছিলেন। প্রতীকটিতে একটি বাঘের মুখাবয়ব ছিল এবং তার নিচে ‘ষষ্ঠ অ্যাসল্ট ব্রিগেড’ লেখা ছিল। তবে এটি রুশ বাহিনীর কোন ইউনিট বা সংগঠনের প্রতীক, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের অভিযোগ, রুশ সামরিক নেতৃত্ব বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধাদেরও নিজেদের সেনাদের মতোই ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে পাঠাচ্ছে এবং তাদের জীবন রক্ষায় কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। সংস্থাটির ভাষ্য, বিদেশি যোদ্ধাদেরও অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত মার্চে খারকিভ অঞ্চলে দায়িত্ব পালনকারী ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ভিক্টর ট্রেহুবভ দাবি করেছিলেন, ওই অঞ্চলে রুশ বাহিনীর হয়ে লড়াই করা বিদেশি ভাড়াটে সেনার সংখ্যা ইউক্রেনের অন্যান্য যুদ্ধাঞ্চলের তুলনায় বেশি।
তবে ইউক্রেনের এই দাবির বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। একইভাবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বাধীনভাবে ইউক্রেনের প্রকাশিত ফোনালাপের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au