মুক্তিপণ নিতে এসে আটক এনসিপির দুই নেতা, ছাড়াতে গিয়ে গ্রেপ্তার আরও তিন
মেলবোর্ন, ৯ জুলাই- দিনাজপুরে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির একটি ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতাসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, অপহৃত এক ব্যক্তির…
মেলবোর্ন, ৮ জুলাই- পাকিস্তানের করাচি উপকূলের কাছে একটি বোয়িং ৭৩৭ কার্গো বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিমানটিতে পাঁচজন ক্রু ছিলেন। তাদের সন্ধানে পাকিস্তান নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষসহ একাধিক সংস্থা যৌথভাবে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিমানটির অবস্থান কিংবা আরোহীদের ভাগ্য সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত স্থানীয় সময় ৯টা ২১ মিনিটে করাচিগামী কার্গো বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে করাচির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কয়েক মিনিট আগে বিমানের পাইলট নেভিগেশন ব্যবস্থায় ত্রুটির কথা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে জানিয়েছিলেন। এরপর বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই রাডারের আওতার বাইরে চলে যায়।
উড়োজাহাজের গতিপথ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফ্লাইটরাডার২৪-এর প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে বিমানটির উচ্চতায় অস্বাভাবিক ওঠানামা হচ্ছিল। পরে সেটি দ্রুত নিচের দিকে নামতে শুরু করে, যা সম্ভাব্য দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও জোরালো করেছে।
নিখোঁজ বিমানটি পরিচালনা করছিল করাচিভিত্তিক বেসরকারি কার্গো এয়ারলাইন কে–টু এয়ারওয়েজ। ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিমানে থাকা পাঁচজন ক্রুর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তাদের পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে ক্রুদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে পাকিস্তান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করছে। একই সঙ্গে পাঁচজন ক্রুর নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রার্থনা জানানো হয়েছে।
এদিকে করাচি উপকূল এবং আশপাশের সমুদ্র এলাকায় বিমানটির সম্ভাব্য অবস্থান শনাক্ত করতে উদ্ধারকারী দল দিনরাত তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত জানানো হবে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে সর্বশেষ বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা ঘটে ২০২০ সালে। সে সময় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমান করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হলে বিমানে থাকা ৯৯ জনের মধ্যে ৯৭ জন নিহত হন। সেই ঘটনার পর এটি দেশটির বিমান চলাচল খাতে সবচেয়ে আলোচিত আরেকটি জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au