নড়াইলে ৫ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ
মেলবোর্ন, ২১ জুলাই: নড়াইল সদর উপজেলায় পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে শিশুটিকে…
মেলবোর্ন, ২০ জুলাই- দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানার উপকূলে ১৩৩ জন আরোহী নিয়ে একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চলছে। দুর্ঘটনার পর এখন পর্যন্ত ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও বহু যাত্রী নিখোঁজ থাকায় তাদের সন্ধানে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড এবং বেসরকারি নৌযানের সমন্বয়ে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন শিশু রয়েছে। দুর্ঘটনার সময় এমভি বারিমা নামের ফেরিটিতে ১১৬ জন যাত্রী এবং ১৭ জন ক্রু সদস্যসহ মোট ১৩৩ জন আরোহী ছিলেন।
শনিবার স্থানীয় সময় রাজধানী জর্জটাউন থেকে পোর্ট কাইতুমার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার পর আয়রন পন্ট এলাকার কাছে ফেরিটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং ডুবে যায়। রাত ১১টা ১ মিনিটে জরুরি সংকেত পাওয়ার পরপরই সরকারি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। পরে বেসরকারি নৌযানও উদ্ধারকাজে যোগ দেয়।
গায়ানার জনপথমন্ত্রী হুয়ান এডগিল জানান, ফেরিতে থাকা প্রত্যেক যাত্রীর সন্ধান পাওয়ার ব্যাপারে সরকার আশাবাদী। নিখোঁজদের উদ্ধারে অনুসন্ধান অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে এবং উদ্ধারকর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪১ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ফেরিটির ক্যাপ্টেনও রয়েছেন। তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়ার পর ক্যাপ্টেন আবারও ঘটনাস্থলে ফিরে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি অনুসন্ধান কার্যক্রমের পরিধিও বাড়ানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ফেরিটি অনুমোদিত ওজনসীমার মধ্যেই চলাচল করছিল। এমভি বারিমা ফেরিটির ৩০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহনের সক্ষমতা থাকলেও দুর্ঘটনার সময় সেখানে মোট ১৩৩ জন আরোহী ছিলেন।
উদ্ধার অভিযান ও চিকিৎসা পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর যাত্রীদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। একই সঙ্গে নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনদের সহায়তার জন্য বিশেষ সহায়তা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ফেরিটিতে ২৫০টি লাইফ জ্যাকেট, দুটি শক্ত কাঠামোর লাইফক্রাফট এবং ছয়টি ফোলানো যায় এমন লাইফক্রাফট ছিল। ১৯৩৯ সালে নির্মিত ৪০ মিটার দীর্ঘ এই ফেরিটি দীর্ঘদিন ধরে গায়ানার নদীপথে যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে গায়ানা সরকার।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au