নতুন হামলার জেরে হরমুজ প্রণালিতে কমেছে জাহাজ চলাচল
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আরও…
মেলবোর্ন, ২১ জুলাই: বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ভারত থেকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আনুষ্ঠানিক ভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ২০২৪ সালের আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। সোমবার (২০ জুলাই) ঢাকায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, সম্প্রতি ভারতের কাছে এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, আদালতের রায়ে দণ্ডিত হয়ে ভারতে অবস্থানরত আরও কয়েকজন ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়ে পৃথক চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও জানায়, “পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে আবারও একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।”
গত বছরের নভেম্বরেও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছিল। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “আমরা আগেও বলেছি, আসাদুজ্জামান খান কামালকে কূটনৈতিক নীতি, প্রটোকল এবং ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একইভাবে শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের বিষয়েও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “চিঠিটি সম্প্রতি পাঠানো হয়েছে। এখন আমরা ভারতের জবাবের অপেক্ষায় আছি। আমরা আশা করি, ভারত ইতিবাচক সাড়া দেবে এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে তাদের দায়িত্ব পালন করবে।” এর আগে ভারত সরকার জানিয়েছিল, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত অনুরোধগুলো তারা পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল ভারতে অবস্থান করছেন।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত এবং কয়েক হাজার মানুষ আহত হন। ওই সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধেও আন্দোলন দমনে অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত মামলায় ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ (Command Responsibility) নীতির আওতায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au