স্বজনের খোঁজ নেই, মালয়েশিয়ার মর্গে ১৫ দিন ধরে বাংলাদেশির লাশ
মেলবোর্ন, ১০ আগষ্টঃ মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালের মর্গে ১৫ দিন ধরে পড়ে আছে বাংলাদেশি নাগরিক দীন মোহাম্মদের মরদেহ। অনেক চেষ্টা করেও তাঁর স্বজনদের সন্ধান…
মেলবোর্ন, ১০ আগষ্টঃ ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করতে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। একই সঙ্গে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার ভূখণ্ডে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই তথ্যের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি তিনি। এর আগে জুলাইয়ে তিনি উত্তর কোরিয়ার ৩০ হাজার সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন।
জেলেনস্কি আরও দাবি করেন, ইউক্রেনের ভূখণ্ডে উত্তর কোরিয়ার তৈরি কিছু ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া গেছে। তবে সেগুলো কোথায় পাওয়া গেছে, তা তিনি প্রকাশ করেননি। তার ভাষ্য, উত্তর কোরিয়া আধুনিক যুদ্ধে নিজেদের অভিজ্ঞতা আরও বাড়াতে চাইছে। এ ক্ষেত্রে রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র পাওয়ার সুযোগ দেশটিকে আরও সক্ষম করে তুলবে।
ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে জেলেনস্কি দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সহায়তা পেলে ইউক্রেন উপকৃত হবে।
জেলেনস্কি জানান, ড্রোন চুক্তিসহ অন্যান্য সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ইউক্রেন। এ বিষয়ে দুই দেশের কূটনীতিকেরা ইতোমধ্যে যোগাযোগ করছেন বলেও জানান তিনি।
রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সামরিক সহযোগিতা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালের জুনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পিয়ংইয়ং সফরের সময় দুই দেশ একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তিতে কোনো পক্ষ বহিরাগত আগ্রাসনের শিকার হলে অপর পক্ষের পারস্পরিক সহায়তার বিধান রয়েছে।
এই চুক্তির আওতায় উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে সহায়তা করছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ২০২৪ সালে আনুমানিক ১৪ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল বলে বিভিন্ন সূত্রের প্রতিবেদনে জানা যায়। ইউক্রেনীয় বাহিনীর বড় ধরনের অভিযান প্রতিহত করতে রাশিয়াকে এসব সেনা সহায়তা করেছে বলে দাবি করা হয়।
এদিকে চলতি মাসে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, উত্তর কোরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট পশ্চিম রাশিয়ায় মোতায়েন শুরু করেছে। ওই ইউনিটে ১২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ছয়টি উৎক্ষেপণযান থাকতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রের ঘাটতি থাকায় রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার বাড়িয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও প্রতিহত করা তুলনামূলকভাবে কঠিন।
ইউক্রেন ও বিভিন্ন স্বাধীন মূল্যায়ন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে লাখ লাখ গোলা ও মর্টার শেল, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার কামান এবং একাধিক রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা সরবরাহ করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au