বাংলাদেশে সেল গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা
মেলবোর্ন, ১৪ আগষ্ট- বাংলাদেশে সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা বা একিউআইএস নিজেদের কার্যক্রম বিস্তারের জন্য নতুন সেল গঠনের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা…
মেলবোর্ন, ১৪ আগষ্ট- ময়মনসিংহের ত্রিশালে বালুমহালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকে কেন্দ্র করে ইজারাদারের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব (সংযুক্ত) পদে বদলি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ড. গোলাম মোর্শেদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে আরাফাত সিদ্দিকীকে তাঁর বর্তমান কর্মস্থল ত্রিশাল উপজেলা থেকে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব (সংযুক্ত) পদে পদায়ন করা হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরাফাত সিদ্দিকী ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ত্রিশাল পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বেও ছিলেন।
সম্প্রতি ত্রিশালের একটি বালুমহালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ইজারাদারের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ইউএনওর বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি নিয়ে ইজারাদারপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের কথাও জানা যায়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় ঠিক কী ঘটেছিল এবং মারধরের অভিযোগের পেছনে প্রকৃত ঘটনা কী ছিল, তা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা হয়।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ইউএনওর আচরণ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। যদিও অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পরদিন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দীর্ঘ সময় কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। এতে সরকারি বিভিন্ন সেবা নিতে উপজেলা পরিষদে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘স্যার বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিসে আসেননি। আমি ৪টার পর অফিস থেকে চলে এসেছি। কেন তিনি অফিসে আসেননি, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।’
তবে ইউএনও কেন সেদিন কার্যালয়ে ছিলেন না, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরাফাত সিদ্দিকীকে ত্রিশাল থেকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে তাঁর বদলির কারণ হিসেবে জনস্বার্থের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বালুমহালে ইজারাদারের কর্মীকে মারধরের অভিযোগের সঙ্গে তাঁর বদলির সরাসরি কোনো সম্পর্ক আছে কি না, প্রজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি।
আরাফাত সিদ্দিকীর প্রত্যাহারের পর ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে কে আসছেন, সে বিষয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নতুন কোনো আদেশ পাওয়া যায়নি। নতুন ইউএনও নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au