বাবার সঙ্গে ছয় মাস কথা নেই, ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে শঙ্কায় ছেলেরা
কারাগারে থাকা পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট তারকা ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর দুই ছেলে সুলাইমান খান ও কাসিম…
ধর্ষণের অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ায় পুনর্বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আগে যুক্তরাজ্যে ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন ব্রিটিশ র্যাপার ও ইউটিউবার ইয়াং ফিলি। বৃহস্পতিবার পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার একটি আদালত তার জামিনের শর্ত শিথিল করে তাকে যুক্তরাজ্যে ফেরার অনুমতি দেন।
ইয়াং ফিলির আসল নাম আন্দ্রেস ব্যারিয়েন্তোস। ২০২৪ সালের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে এক তরুণী ভক্তকে ধর্ষণ, শারীরিকভাবে নির্যাতন ও শ্বাসরোধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তিনি পার্থে অবস্থান করছিলেন।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ব্যারিয়েন্তোস নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। পরে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে তার বিরুদ্ধে দুই সপ্তাহ ধরে বিচার চলে।
বিচারে ২০ বছর বয়সী ওই তরুণীর মুখ, ঘাড় ও স্তনে কামড় দেওয়ার অভিযোগে তাকে শারীরিক নির্যাতনের একটি ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে জুরি। আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, কামড়ের কারণে ওই তরুণীর শরীরে খোলা ক্ষত তৈরি হয়েছিল।
তবে শ্বাসরোধের অভিযোগ এবং ধর্ষণের তিনটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেন জুরি। আরও তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে জুরি সংখ্যাগরিষ্ঠ মতৈক্যে পৌঁছাতে পারেননি। ফলে এসব অনিষ্পন্ন অভিযোগের বিষয়ে ইয়াং ফিলির পুনর্বিচার হবে।
পুনর্বিচারের আগে বৃহস্পতিবার জামিন শুনানিতে বিচারক লিন্ডা ব্ল্যাক বলেন, নতুন করে বিচার শুরুর তারিখ নির্ধারণে উল্লেখযোগ্য সময় লেগে যেতে পারে। ২০২৪ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে ইয়াং ফিলিকে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করতে হচ্ছে এবং এটি তার দ্বিতীয়বারের মতো বিচারের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাকে অস্ট্রেলিয়ায় অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখা অন্যায্য হবে বলে মন্তব্য করেন বিচারক।

পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার আদালতে হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখের অন্তত ১০ দিন আগে ইয়াং ফিলিকে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতে হবে। ছবি: নিউজওয়্যার / এমা কির্ক
জামিন আইনের বিধান, বিশেষ করে আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে জানিয়ে বিচারক বলেন, উপযুক্ত কিছু শর্তের অধীনে ইয়াং ফিলিকে পুনর্বিচারের আগে যুক্তরাজ্যে ফেরার অনুমতি দেওয়া সম্ভব।
রায়ে বিচারক লিন্ডা ব্ল্যাক বলেন, ‘সবকিছু সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করে আসামিকে পুনর্বিচারের প্রয়োজন না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে ফেরার অনুমতি দেওয়া হলো।’
তবে মুক্তির সঙ্গে বেশ কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ইয়াং ফিলিকে যুক্তরাজ্যে একটি নির্ধারিত ঠিকানায় বসবাস করতে হবে। পুনর্বিচারের জন্য আদালতে হাজির হওয়ার প্রয়োজনের অন্তত ১০ দিন আগে তাকে আবার পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতে হবে।
এ ছাড়া চলমান আদালত কার্যক্রম নিয়ে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কোনো মন্তব্য বা বিবৃতি প্রকাশ করতে পারবেন না তিনি। মামলাসংক্রান্ত কোনো আলোচনা বা এ ধরনের আলোচনায় অংশ নেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন পুনর্বিচারের তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হবে। তবে সেদিন ইয়াং ফিলিকে আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকতে হবে না।
অনিষ্পন্ন ধর্ষণ অভিযোগগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সময়ে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে তার পুনর্বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র-নিউজ কম এইউ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au