বাংলাদেশ

রংপুরের চার হত্যাকাণ্ড: পুলিশের বক্তব্যে অসংগতি দেখছে আসক

  • 3:04 am - August 29, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১০৪ বার
হিন্দু শিক্ষকের বাড়ি থেকে স্ত্রী-সন্তানসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার। ছবিঃ সংগৃহীত

রংপুর নগরের আলোচিত চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বক্তব্যে অসংগতি রয়েছে বলে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বিশেষ করে হত্যাকাণ্ডের সময়, পুলিশের বর্ণনার পরিবর্তন, নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর মোবাইল ফোন থেকে রাত ২টা ৪০ মিনিটে করা রহস্যজনক কল এবং অভিযুক্তদের সঙ্গে ঘটনাস্থলের ফরেনসিক আলামতের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মানবাধিকার সংগঠনটি।

গত ২৪ ও ২৫ আগস্ট আসকের দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রংপুরে সরেজমিনে গিয়ে নিহতদের স্বজন, প্রতিবেশী, অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্য, পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে। এ ছাড়া মর্গ, হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গেও কথা বলে তারা। পরে বৃহস্পতিবার আসক তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করে।

আসকের পর্যবেক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর মোবাইল ফোন থেকে রাত ২টা ৪০ মিনিটে করা একটি কল। নিহত প্রীতিলতার বোন পূজা চক্রবর্তী আসককে জানান, ২০ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে বোনের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। কিন্তু পরদিন মোবাইল ফোনে তিনি দেখতে পান, রাত ২টা ৪০ মিনিটে প্রীতিলতার নম্বর থেকে তাঁকে ফোন করা হয়েছিল। তখন তিনি ফোনটি ধরতে পারেননি।

পূজার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রীতিলতা সাধারণত এত রাতে ফোন করতেন না। ফলে ওই ফোনকলটি তাঁর কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, পুলিশের বর্ণিত হত্যাকাণ্ডের সময়ের সঙ্গে রাত ২টা ৪০ মিনিটের ওই কলের সম্পর্ক কী? ওই সময় ফোনটি কে ব্যবহার করেছিলেন? কলটি কতক্ষণ স্থায়ী হয়েছিল? তখন মোবাইল ফোনটির অবস্থান কোথায় ছিল? পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোন কখন বন্ধ হয়েছিল?

আসকের মতে, এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে কল ডিটেইল রেকর্ড, মোবাইল ফোনের অবস্থান, ডিজিটাল ফরেনসিকসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত আলামত বিশ্লেষণ করা জরুরি।

প্রথমে এক বর্ণনা, পরে বদলে গেল পুলিশের বক্তব্য

ঘটনার পর পুলিশ যে ব্যাখ্যা দিয়েছিল, তাতেও পরিবর্তন এসেছে বলে উল্লেখ করেছে আসক।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছিল, সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবন করছিলেন। গণপতি তাঁদের বাধা দিলে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও একে একে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে দেখাতে ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো করা হয়েছিল বলেও পুলিশ জানিয়েছিল।

রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ আসকের প্রতিনিধিদেরও জানান, গ্রেপ্তার দুই যুবক ওই বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবন করতে গিয়েছিলেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পর তাঁরা কিছু সময় বাড়িতেই অবস্থান করেন, খাবার খান এবং পরে পরিস্থিতি অনুকূল হলে সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

পুলিশ আরও দাবি করেছে, তদন্তের সূত্র ও আলামতের ভিত্তিতে তাঁদের শনাক্ত করা হয়। পরে আদালতে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

তবে ২৩ আগস্টের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বলেছিল, গণপতি চক্রবর্তীকে ভোরে বাসার ছাদে, তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে ছাদে ওঠার সিঁড়ির কাছে এবং ১২ বছর বয়সী শিশুকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করা হয়েছে। তখন পুলিশ জানিয়েছিল, ঘুমন্ত শিশুটির ওপর হামলা চালানো হয়েছিল।

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের বক্তব্যে পরিবর্তন আসে। বিদায়ী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের সঙ্গে সিদ্ধার্থ দাসের জমিজমা নিয়ে বিরোধ বা অসন্তোষও হত্যাকাণ্ডের কারণ হতে পারে।

জমিজমা নিয়ে বিরোধের তথ্য কোথা থেকে এল?

পুলিশের নতুন বক্তব্য অনুযায়ী, সিদ্ধার্থের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জমিজমা সংক্রান্ত একটি বিষয় উঠে এসেছে। পুলিশ বলছে, গণপতি চক্রবর্তীরা সিদ্ধার্থের পূর্বপুরুষের জমি কিনেছিলেন। তুলনামূলক বেশি দামে জমি কেনা হলেও সিদ্ধার্থের পরিবারের শরিকেরা তাঁদের প্রাপ্য টাকা পাননি, এমন একটি বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অর্থাৎ হত্যাকাণ্ডের কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে এখন অন্তত দুটি সম্ভাবনা সামনে এসেছে। একটি হলো ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়া এবং অন্যটি জমিজমা নিয়ে বিরোধ বা অসন্তোষ।

এ অবস্থায় কোন কারণটি প্রকৃত, নাকি একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করেছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছে আসক।

স্বীকারোক্তির সঙ্গে মিলতে হবে বস্তুগত আলামত

আসকের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, পুলিশের ঘটনাক্রমের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ স্বাধীন ও বস্তুগত আলামতের মাধ্যমে যাচাই করা দরকার।

পুলিশ যদি বলে থাকে, হত্যার পর দুই অভিযুক্ত কিছু সময় ওই বাড়িতে ছিলেন, খাবার খেয়েছেন এবং পরে বেরিয়ে গেছেন, তাহলে ওই সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত ফরেনসিক আলামত থাকার সম্ভাবনাও যাচাই করা প্রয়োজন।

ঘরের বিভিন্ন স্থান, বাথরুম, পানির উৎস, খাবারের পাত্র, দরজা-জানালা, আসবাবসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, ত্বকের কোষ, চুলসহ জৈবিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

কারণ শুধু আসামির স্বীকারোক্তি বা পুলিশের বক্তব্য দিয়ে পুরো ঘটনাক্রম নিশ্চিত করা যায় না। স্বীকারোক্তিতে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা ঘটনাস্থলের বাস্তব আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নিহতদের স্বজন ও অভিযুক্তদের পরিবারের বক্তব্যেও ভিন্নতা

আসকের প্রতিনিধিরা নিহত পরিবারের পাশাপাশি অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ছেলের গ্রেপ্তার ও পুরো ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন। অন্যদিকে মুগ্ধ দাসের মা সেনা রানী দাসও তাঁর ছেলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন বলে জানিয়েছেন।

এ ছাড়া সন্দেহভাজন সীমান্ত চন্দ্র দাসের বাবা-মা জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে সীমান্ত তাঁদের বাড়িতেই ছিলেন। সিদ্ধার্থ কিছু সময় তাঁদের বাড়িতে গেলেও রাতে সেখানে থাকেননি বলেও তাঁরা দাবি করেছেন।

আসক বলছে, এসব বক্তব্য সত্য কি না, তা অন্য তথ্য ও বস্তুগত আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

২২ আগস্ট রাতে বাড়িতে গিয়ে যা দেখেন পূজা

আসকের তথ্যমতে, ২২ আগস্ট রাত ৮টার কিছু পর পূজা চক্রবর্তী বোনের মোবাইল ফোনে কল করে সেটি বন্ধ পান। পরিবারের অন্য সদস্যদের ফোনেও যোগাযোগ করতে না পেরে রাত সোয়া ৯টার দিকে স্বামীকে নিয়ে বোনের বাড়িতে যান।

পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পূজার বর্ণনা অনুযায়ী, গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ ছিল ছাদে। প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ ছিল সিঁড়িতে। আর আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ পাওয়া যায় একটি কক্ষের কোণে। ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্রও এলোমেলো অবস্থায় ছিল।

এই অবস্থায় ঘটনাস্থল কখন, কীভাবে এবং কতটা সংরক্ষণ করা হয়েছিল, সে বিষয়টিও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মর্গকর্মীর পর্যবেক্ষণ চূড়ান্ত নয়

আসকের প্রতিনিধিরা রংপুরের মর্গের ইনচার্জ সাহেব আলী ও ডোম যতন কুমারের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

যতন কুমার জানিয়েছেন, মরদেহগুলো পচনশীল অবস্থায় ছিল। তিনি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখেননি। তবে শরীরের কিছু অংশে আঘাতের চিহ্নের মতো বিষয় তাঁর নজরে এসেছে। নিহত দুই নারীর শরীরে যৌন নির্যাতনের আলামত চোখে পড়েনি বলেও তিনি জানিয়েছেন।

তবে আসক স্পষ্ট করেছে, মর্গকর্মীর চোখে দেখা কোনো বিষয়কে চূড়ান্ত চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। ময়নাতদন্ত, রাসায়নিক পরীক্ষা এবং অন্যান্য ফরেনসিক পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনই এ ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ভিত্তি।

রাত ২টা ৪০ মিনিটের ফোনকলই এখন বড় প্রশ্ন

রংপুরের এই চার হত্যাকাণ্ডের তদন্তে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে, রাত ২টা ৪০ মিনিটে প্রীতিলতা চক্রবর্তীর মোবাইল ফোন থেকে করা কলটি কে করেছিলেন।

যদি পুলিশের বর্ণিত সময়ের আগেই বা পরে ওই কল হয়ে থাকে, তাহলে কলটির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সময়ের সম্পর্ক নির্ধারণ করা জরুরি। একই সঙ্গে ওই সময় মোবাইল ফোনটি কোন এলাকায় ছিল, ফোনে অন্য কোনো কার্যক্রম হয়েছিল কি না এবং ফোনটি কে ব্যবহার করেছিল, সেসব তথ্যও বের করা সম্ভব হতে পারে।

এ জন্য কল রেকর্ড, মোবাইল ফোনের অবস্থান, সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল তথ্য, ডিএনএ, আঙুলের ছাপসহ সব ধরনের বস্তুগত আলামত একসঙ্গে বিশ্লেষণের ওপর জোর দিয়েছে আসক।

সংস্থাটির মতে, পুলিশের বক্তব্যের পরিবর্তন, হত্যাকাণ্ডের সময় নিয়ে প্রশ্ন এবং রাত ২টা ৪০ মিনিটের রহস্যজনক ফোনকলের মতো বিষয়গুলোর স্বাধীন যাচাই ছাড়া তদন্তের পুরো চিত্র স্পষ্ট হবে না।

এদিকে গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী আসকের প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন, ঘটনার বিভিন্ন দিক ও আলামত যাচাই করা হচ্ছে।

এই শাখার আরও খবর

বাবার সঙ্গে ছয় মাস কথা নেই, ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে শঙ্কায় ছেলেরা

কারাগারে থাকা পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট তারকা ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর দুই ছেলে সুলাইমান খান ও কাসিম…

রংপুরের চার হত্যাকাণ্ডে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সন্দেহ বাড়ছে কেন?

রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় পুলিশের প্রচলিত ঘটনাক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে পাওয়া কিছু তথ্যের সঙ্গে পুলিশের বর্ণিত হত্যার সময়ের…

বাংলাদেশের মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ, যা বলল ভারত ও পাকিস্তান

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশকে যুক্ত করার প্রস্তাব এলে তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর…

মিরপুরে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রতিবেশী সুমন কারাগারে

ঢাকার মিরপুরে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রতিবেশী সুমন মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল এ আদেশ…

মেলবোর্নে ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে ছুরিকাঘাত, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন মা

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক এলাকায় (সিবিডি) মস্তিষ্কের ক্যানসারে আক্রান্ত ১০ বছরের ছেলেকে এক অপরিচিত ব্যক্তির হামলা থেকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন এক মা। হাসপাতালে…

কাদের বাঁচাতে আসামিদের পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন না রংপুরের আইনজীবীরা?

  রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী আইনি লড়াই করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রংপুর জেলা আইনজীবী…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au